আমার বাবা ছিলেন সুফি ঘরানার মানুষ। তাঁর অবসর সময়ে অনেকেই আসতেন রস-ভাবাশ্রিত অধ্যাত্মকথা শুনতে। তবে শ্রোতাদের কেউ কেউ আসতেন শুধু শুকনো ভাবের কথা শুনতে নয়; সুগন্ধি জর্দাসহ পানের রসে চিত্তের সঙ্গে ঠোঁটও রঞ্জিত করে নিতে।
আমার বাবা ছিলেন সুফি ঘরানার মানুষ। তাঁর অবসর সময়ে অনেকেই আসতেন রস-ভাবাশ্রিত অধ্যাত্মকথা শুনতে। তবে শ্রোতাদের কেউ কেউ আসতেন শুধু শুকনো ভাবের কথা শুনতে নয়; সুগন্ধি জর্দাসহ পানের রসে চিত্তের সঙ্গে ঠোঁটও রঞ্জিত করে নিতে। এমন সভাতেই একদিন গ্রামের একজন সাধারণ কৃষক আমিরদ্দি আফসোস করছিলেন, আরবি সুরা জানি না, নামাজও পড়তে পারি না। আমার বাবা জর্দার খুশবু ছড়িয়ে বললেন, তাতে কী হল রে, রবিবাবুর গীতাঞ্জলি’র কবিতা দিয়ে নামাজ পড়ে নিবি। সঙ্গে সঙ্গে তিনি অল্প সুর লাগিয়ে স্থায়ীটুকু আবৃত্তি করে শোনালেন। আরবি সুরার অচেনা ধ্বনির মতো প্রতিধ্বনি করেও সহজ সরল নিবেদন, ভক্তি অন্তরে বেজে ওঠে,<br /> <br />...
সাবস্ক্রাইব করুন বা কিনুন
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে এবং স্বাধীন বাংলা সাহিত্যকে সমর্থন করতে, এই লেখাটি কিনুন বা সম্পূর্ণ জার্নাল আর্কাইভ উন্মুক্ত করুন।