দ্বান্দ্বিক ও ঐতিহাসিক বস্তুবাদ— সাধারণভাবে যা মার্কসবাদ বা মার্কসীয় দর্শন রূপে পরিচিত সেটিই আমার জীবনদর্শন। এই দর্শনের আলোকেই জীবন ও জগতের সব কিছুই আমি অবলোকন করতে চাই। কিন্তু চাইলেই যে অতি সহজে সেটি করা চলে না, সর্বদাই মর্মে মর্মে তা অনুভব করি।
দ্বান্দ্বিক ও ঐতিহাসিক বস্তুবাদ— সাধারণভাবে যা মার্কসবাদ বা মার্কসীয় দর্শন রূপে পরিচিত সেটিই আমার জীবনদর্শন। এই দর্শনের আলোকেই জীবন ও জগতের সব কিছুই আমি অবলোকন করতে চাই। কিন্তু চাইলেই যে অতি সহজে সেটি করা চলে না, সর্বদাই মর্মে মর্মে তা অনুভব করি। বিশেষ করে অর্থনীতি ও রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট নয় যে-সব বিষয়, সে-সব বিষয়ের ওপর দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ তথা মার্কসবাদের আলোর প্রক্ষেপণ ঘটাতে গেলে খুবই মুশকিলে পড়তে হয়। মার্কসবাদকে তো একসময় ‘অর্থনৈতিক নির্ধারণবাদ’ (ইকনমিক ডিটারমিনিজম) বলেই ধরে নেওয়া হয়েছিল, অর্থনীতির বাইরে অন্য কিছুর সঙ্গে মার্কসবাদের সম্পৃক্ততার কথা অনেকেই...
সাবস্ক্রাইব করুন বা কিনুন
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে এবং স্বাধীন বাংলা সাহিত্যকে সমর্থন করতে, এই লেখাটি কিনুন বা সম্পূর্ণ জার্নাল আর্কাইভ উন্মুক্ত করুন।