ESC

আর্কাইভে অনুসন্ধানের জন্য অন্তত ২টি অক্ষর লিখুন।

লগ ইন নিবন্ধন করুন
← আর্কাইভে ফিরুন

December 2016 14th Year 22nd Issue

Issue 220508123438 · Published May 2022

· ·

সংখ্যার বিবরণ

সংখ্যা
220508123438
প্রকাশনার বছর
2016
ISSN
1488-0792
ডিজিটাল প্রবেশাধিকার
৳200 / $2.00
মুদ্রিত সংস্করণ
৳300 / $3.00
প্রিন্ট + ডিজিটাল
৳500 / $5.00 + ডেলিভারি
December 2016 14th Year 22nd Issue Cover

ছবির কথা / About Cover Art

দিনভর অনেক ভাবনা আর কল্পনার জগত আমায় ভর করে। যেমনি কবি কাব্য রচনা করেন, সুরের তারের মুছনায় শিল্পী সুর তোলেন, তেমনি রং আর রেখার ভাবনায় আমিও ডুবে যাই সুদুর নির্মল আবহাওয়ায়। স্মৃতির দুয়ারে ভেসে আসে শৈশবের অনেক পাঠ। মা বলতেন, “দেখ তো বিড়ালগুলো কী করছে?” কাছে যেতেই বিড়ালগুলোও ছুটে যেত। কখনো দূরে, কখনো খেলার ভঙ্গিমায় আবেগে গুটিগুটি পায়ের কাছে, আবার কখনো মা-বিড়ালের কোল ঘেঁষে।
স্মৃতির পাতা থেকে ৩ x ৩ মাপের একটি পরিসরে হঠাৎই যেন বিড়ালগুলো পরিবার হয়ে আমার ভাবনার জায়গাটি দখল করে নেয়। হয়ে ওঠে আমার ছবিতে ‘বিড়াল পরিবার’ বা ‘Cats Family’। জগতের জটিলতা-কুটিলতা থেকে মুক্ত হয়ে একত্রে বসবাসের চেষ্টা। বাঙালির ঐতিহ্যের অসাধারণ এক বন্ধন খুঁজে পাই আমি এই বিড়ালগুলোর মাঝে, তাদের আচরণে। অত্যন্ত সীমিত রং, রেখা আর তুলির আঁচড়ে বিড়ালগুলোর আনন্দ আর সুখ খুঁজতে চেয়েছি আমি এই ছবিটিতে। সবুজ-হলুদ আর সাদা-কালো রঙের মিশ্রণে সাবলীল তুলির টানে তাদের আপন পরিবেশ গড়ে তুলেছি চিত্রপটটিতে। পরিবারের সবাইকে কাছে পেয়ে যেন মা-বিড়ালটি অনেক তৃপ্ত। অ্যাক্রিলিক রঙে তুলির বলিষ্ঠ আঁচড়ে আমি খুঁজে পাই বাঙালির গ্রামীণ জীবনের অতি পরিচিত সাধারণ জীবন। আধুনিক জটিল শিল্পপ্রকাশ থেকে সবসময় অনেক দূরেই থাকতে চাই। সহজ রূপকল্পের প্রয়োগে আনন্দই যেন ভরে থাকুক আমার এই বিড়াল পরিবারে। ছবির ভাষায় তাই যেন সকল শিল্পরসিককে আনন্দ দেয়। ক্যানভাসে ২০১৫ সালে আঁকা আমার এই শিল্পকর্মটি।

শেষ পাতা / Back Cover

December 2016 14th Year 22nd Issue Back Cover

Explore the design and details featured on the back cover of ‘December 2016 14th Year 22nd Issue’.

সম্পাদকীয় / Editorial

সম্পাদকীয়

আমাদের বর্তমান সংখ্যার মূল আলোচ্য বিষয় বাংলায় মুক্তবুদ্ধি চর্চার চড়াই-উতরাই যদিও ভৌগোলিক দিক থেকে একটি সীমিত ভূখণ্ডের ভাষাগোষ্ঠীর সমস্যাকে চিহ্নিত করে তবুও বলতে বাধা নেই যে বিশ্বরাজনীতির বর্তমান সংস্কৃতিতে এর প্রাসঙ্গিকতা ও গুরুত্ব অন্য দেশ এবং ভাষাগোষ্ঠীর ক্ষেত্রেও কম প্রযোজ্য নয়। দেশে দেশে দক্ষিণপন্থী ধর্মাশ্রয়ী বর্ণবাদী প্রগতিবিরোধী প্রতিক্রিয়াশীল রাজনৈতিক শক্তিগুলোর ক্ষমতাগ্রহণ সমস্যাটির জটিলতা আরও ব্যাপক ও দুরূহ করে তুলেছে। প্রচলিত সামাজিক বিশ্বাস, ধর্ম ও সংস্কারের সমালোচনায় বিজ্ঞানমনস্ক, নিরীশ্বরবাদী-যুক্তিবাদী লেখকদের সরব হওয়ার আবহটি এখন প্রায় অনুপস্থিত। জনতোষণের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে যুক্তির কষ্টিপাথরে যাচাইকৃত মননের নিরাবেগ বিশ্লেষণ সমাদৃত হয় না। তারা একদিকে শিকার হন শাসকগোষ্ঠীর চক্ষুরাঙানির অপরদিকে শাসকগোষ্ঠীর অনুগ্রহলাভকারী বুদ্ধিজীবীদের দ্বারা হন অবহেলিত ও উপেক্ষিত। দ্বিতীয় ধরনের উপসর্গটিই উদ্বেগের বিষয়। বাংলাসহ সমগ্র উপমহাদেশে এ পরিস্থিতি দীর্ঘদিন থেকে বিরাজমান। বাংলার নবজাগৃতির সময়কালেও যেমন আমরা দেখেছি যুক্তি ও নিরীশ্বরবাদী ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা (বিদ্যাসাগর) ও অক্ষয়কুমার দত্তকে আস্তিক ব্রাহ্ম ধর্মপ্রচারক দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘কতকগুলান নাস্তিক’ বলে অপবাদ দেওয়া তেমনি পরবর্তীকালে বিশ শতক ও একবিংশ শতক জুড়ে এই সমাজে দেখেছি অপছন্দ ও অসহিষ্ণুতার আরও জঘ...
সম্পূর্ণ সম্পাদকীয় পড়ুন →

প্রবন্ধ

  • একটা বড়ো ভয়ংকর কঠিন সময়ে চলে গেলেন সংগ্রামী সাহিত্যিক, আদিবাসী মানুষের বড়ো প্রিয় বড়ো আপনজন, মারং দাই। অগণিত শোষিত বঞ্চিত শ্রমজীবী মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে লড়াই করার এক আপসহীন সেনাপতি। জীবনের এই এক চরম কঠিন নিয়ম— একে অস্বীকার করবার ক্ষমতা কারোর নেই। জন্ম যখন হয়েছে--সব পিছুটান পিছে ফেলে, সব বন্ধন ছিঁড়ে খুঁড়ে, একদিন তো সবাইকে চলে যেতেই হয়।

  • বাংলা ১৩০৩ সন থেকে ১৩৩৭ সন অর্থাৎ ইংরেজি ১৮৯৬ সাল থেকে ১৯৩১ সাল পর্যন্ত এইচ. বসু ওরফে হেমেন্দ্রমোহন বসু নামের একজন বিপণন সামগ্রী নির্মাতা একটি অভিনব সাহিত্য পুরস্কার প্রদান করতেন। অভিনব এই কারণে যে, তা ছিল তৎকালীন বিখ্যাত ‘কুন্তলীন’ তেলের প্রচারের একটি কৌশল। পুরস্কারের প্রকৃত মূল্য ছিল পাঁচ টাকা থেকে পঁচিশ টাকা।

  • মধ্যযুগ থেকে আধুনিক যুগ ইউরোপে মধ্যযুগ থেকে আধুনিক যুগে উৎক্রমণের পর্যায়টি প্রায় চার শতাব্দীর। ইতিহাসে তা পর্যায়ক্রমে নবজাগৃতি বা রনেসাঁস, প্রটেস্টান্ট ও ক্যাথলিক রিফরমেশন এবং ধর্মযুদ্ধ, বিজ্ঞান-বিপ্লব, বোধিপ্রাপ্তি বা এনলাইটমেন্ট-- এইসব পর্বে চিহ্নিত করা হয়। এই উৎক্ৰমণপর্বে ইউরোপের প্রত্যেক দেশেই বিভিন্ন বিপরীত ভাবধারার অস্তিত্ব বর্তমান ছিল।

  • সমগ্র বিশ্বজুড়ে, বিশেষত, বিংশ শতাব্দীর শেষভাগ থেকে, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের দাবী ক্রমশ জোরালো হয়ে উঠেছে। কয়েকটি বিষয় এই প্রসঙ্গে বারে বারে আলোচিত হচ্ছে, যথা মুক্তচিন্তা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, মানবাধিকার এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তি (Social inclusion)। অন্যদিকে বিশ্বজুড়ে ক্রমাগত বেড়ে চলা ধর্মীয় মৌলবাদ, উগ্রপন্থা, সন্ত্রাসবাদ এবং অসহিষ্ণুতার আবহ গণতন্ত্রের দাবীগুলিকে প্রতিনিয়ত চ্যালেঞ্জ করে যাচ্ছে।

  • ‘বদল’ আসে ধীর পায়ে, নিঃশব্দে! সমাজের প্রতিটি রক্তজালিকায় মিশতে থাকে সে ক্রমশ। যেন কুয়াশায় মিশে থাকে তার ধূসর আগমনবার্তা। নিঃশব্দে ‘বদল’ তার নিজের জমিনকে পাকাপোক্ত করে তোলে। সমাজ-মানুষ-সময়-আর সবকিছু সহযোগে বদলে যাওয়া পরিপ্রেক্ষিত অপরিচিত মনে হয়।

  • ঢাকায় হোলি আর্টিজানের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পরে, বিশেষ করে দেশে জঙ্গিবাদের অস্তিত্ব সরকারি স্বীকৃতি পাবার পর থেকে বেশ কিছুদিন ধরে চলেছে নানা ধরনের বিশ্লেষণ। এসব বিশ্লেষণের মূল বিষয়, দেশে জঙ্গিবাদের জন্য দায়ী কে এবং কীভাবে জঙ্গিবাদ থেকে দেশকে মুক্ত করা যায়। সমাধান হিসেবে অন্যান্য অনুষঙ্গের সঙ্গে সাংস্কৃতিক প্রতিরোধের কথাও বলা হয়েছে।

  • ইদানীংকালে আস্তিক্য-নাস্তিক্য নামক একটা বিভ্রান্তিমূলক বিষয়কে কেন্দ্র করে যে তুলকালাম ঘটনাপ্রবাহ বয়ে গেল আমাদের জাতীয় জীবনে তা কতটা যৌক্তিক বা জরুরি ছিল তা নিয়ে বিজ্ঞজনেরা বিস্তর আলাপ-আলোচনা বিচার-বিশ্লেষণ করেছেন তাঁদের নিজ নিজ অবস্থান ও দায়িত্ববোধ থেকেই। তবে সচেতন নাগরিকমাত্রেই আমাদের স্ব-স্ব চিন্তাজগতে অনাকাঙ্ক্ষিত এসব ঘটনা যে অনেকগুলো কপাল-ভাঁজ করা প্রশ্নবোধক চিহ্নেরও জন্ম দিয়েছে তা নিশ্চয়ই বলার অপেক্ষা রাখে না।

  • ১৯৩৮ সালের ১৩ই ফেব্রুয়ারি কলকাতার দি স্টেটম্যান পত্রিকায় প্রকাশিত এক নিবন্ধে মহাত্মা গান্ধিকে রবীন্দ্রনাথ যে অর্ঘ্য নিবেদন করেছিলেন, তার তুল্য প্রশংসাবাক্য পৃথিবীতে খুব কম রাষ্ট্রনেতাই অর্জন করতে পেরেছেন। রবীন্দ্রনাথ বলেন যে গান্ধি কখনোই অন্যদের ওপর তাঁর নিজের মতবাদ চাপিয়ে দেননি—গান্ধি নিজে তাঁর জীবনে কৃচ্ছ্রসাধন করেন, কিন্তু দেশের মানুষের ঐহিক উন্নতির জন্য তিনি যতখানি সচেষ্ট ততখানি আর কেউ নন।

  • দ্বান্দ্বিক ও ঐতিহাসিক বস্তুবাদ— সাধারণভাবে যা মার্কসবাদ বা মার্কসীয় দর্শন রূপে পরিচিত সেটিই আমার জীবনদর্শন। এই দর্শনের আলোকেই জীবন ও জগতের সব কিছুই আমি অবলোকন করতে চাই। কিন্তু চাইলেই যে অতি সহজে সেটি করা চলে না, সর্বদাই মর্মে মর্মে তা অনুভব করি।

কবিতা

গল্প

  • তাঁর আগে ছিল না কিছুই। না সময়, না অন্ধকার, না আলো। অথচ কেবল তিনিই ছিলেন। তিনি আলোকরূপ ধারণ করলেন, সৃজিত হল অন্ধকার। আকার-বিকারহীন, নিমগ্ন নিজেরই ভেতর। তিনি ছিলেন একা, নিঃসঙ্গ। কোনো একদিন তার মধ্যে জাগে রমণের বাসনা। তিনি বিভক্ত হলেন। সৃষ্টি হল নারী, সৃষ্টি হল পুরুষ। নারী আর পুরুষ মিলিত হলে তিনি গ্রহণ করলেন পরিপূর্ণ প্রেমের পরম অনুভূতি। এই তাঁর লীলা।

  • সে শক্তিই ভ্রম তার, ক্রমেই অসহ্য হয়ে লুপ্ত করে দেয় মহাভার। অন্ধকারে ছায়া মিলিয়ে যায় না, আলোতেও নয়। এই ছায়ার ওজন আছে, সে-ওজন আমার থেকে বেশ বেশি। ছায়া কিন্তু অবিকল আমার মতো নয়, তার রূপ, শক্তি, ওজন সবই অন্যরকমের। আমার সব রকমের চলাফেরায়, ওঠাবসায় ছায়া আমাকে অনুসরণ করে, অন্ধকারে করে, আলোতেও ছায়া মিলিয়ে না গিয়ে সঙ্গে থাকে। আমি আর ছায়া প্রেমে ডোবা এমন দম্পতি যে, একে অপরকে চব্বিশ ঘণ্টা জড়িয়ে থাকি।

  • কোকনদবর্ণ দিনকর উদিত পূর্ব গগনে। চক্রবাক ও চক্রবাকী তাই কণ্ঠময় গিরিলোক জাগরণে। সে আহ্বানে ধ্বনিময় অলকানন্দা ধারা। ঋষিবৃন্দ করবারিতে প্রার্থনামগ্ন। তাদের কণ্ঠে ভগ, মিত্র বরুণ আদি দ্বাদশ আদিত্যের আপ্যায়ন, অজ পিনাকী ঈশ্বর আদি একাদশ রুদ্রের বন্দনা, ধ্রুব সোম অনিল আদি অষ্টবসুর মঙ্গলগীত। করবারিতে বিম্বিত নবারুণ। সে কোকনদ অর্পণ সুরলোক ও ভূলোকের মহাত্মাবৃন্দে।

  • মঙ্গলা হাট থেকে কাপড়ের পেটরা দুটো ট্যাক্সির ডিকিতে ঢোকাতে গিয়েই ধনা দেখতে পেয়েছিল ডিকির ভিতরে একটা লাল রঙের বেশ বড়োসড়ো ব্যাগ রয়েছে। ফালতু ব্যাগ নয়, ফোমের। বদু দেখে নি। ড্রাইভার কি জানে যে একটা ব্যাগ পড়ে আছে ডিকিতে?

  • Today a serious storm has descended. At six a.m. the windows above my bed flew open. Before I could secure them, it had begun to rain, a sudden torrent cascading from the towering monsoon sky.

  • I awoke again too early this morning The young boy with whom I share a room was still asleep.

  • Preface Each of Rabindranath Tagore’s nine novels, built around the themes of family, community and gender, has at its centre stage a principal female protagonist. The only exception is Gora, where the protagonist is a man named Gourmohan or Gora. We find in Tagore’s earlier works, child-like girl heroines or naive marginalized women confronted with social/parental antagonism.

  • Though Manindra Gupta’s early poetry unfolds his emotional link with the village in which he was born, he gradually learned how to speak about that relation in an indirect and cryptic way.

  • It was Eid-ul-ad´ha, or the otherwise known feast of sacrifice, the second most important date in the Islamic calendar, and I had just met Mukitur.1

  • In the South Asian sub-continent today, fascism is taking on a well-organized form of aggressive religious bigotry, which is determined to destroy not only socialism (or whatever little is left of it), but also the principles and norms of bourgeois democracy that are derived from the Occident, as well as the humanitarian and liberal values of traditional popular religious movements like Sufism and Bhakti that are still prevalent in the Orient.