দিনের আলো গত হওয়ার পর ছোটো কুপি বা লন্ঠনের আলোয় দাদি-নানিরা আসর বসাতেন। কিস্সার আসর। আধুনিক প্রযুক্তির বাড়বাড়ন্ত যখন গ্রামবাংলার কুঠিরে থাবা বসাতে পারেনি, তখন বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে গল্প বা কিস্সার আসর মানুষকে মগ্ন করে রাখত। এই আসরি বিনোদনের পরম্পরাটি আজ গ্রামের জীবন থেকেও হারিয়ে গেছে। টেলিভিশন বা অতি সম্প্রতি স্মার্টফোনের আগ্রাসী প্রভাব সমস্ত বয়সের মানুষের কাছেই নেশার সামগ্রী হয়ে পড়েছে। আজ মানুষের কাছে বিনোদনের বহুমাত্রিক স্তর উপস্থিত হলেও, কয়েক দশক আগে মানুষের কাছে বিনোদনের এই বহুমাত্রিক পরিসর ছিল না। মানুষ সীমিত কিছু বিনোদনের সংরূপেই মজে থাকতেন। তেমনই একটা বিনোদন হল ‘কিস্সা’। এই ‘কিস্সা’ শব্দটি এসেছে ফারসি শব্দ থেকে, যার অর্থ কাহিনি।১ তবে, আমাদের পরম্পরায় কিস্সা— গল্প বা কাহিনি থেকে নিজেকে কিছুটা স্বতন্ত্র রেখেছে। আদি-মধ্য-অন্ত সম্বলিত গল্প বা কাহিনির বাঁধাধরা গঠনের বাইরে কিস্সা তার প্লটে, প্রবহমানতাকে গুরুত্ব দিয়েই সেই স্বাতন্ত্র্যকে মান্যতা দিয়েছে। কিস্সার আখ্যানভাগ রূপকথা-রাজকন্যা-অর্ধেক রাজত্ব-দুষ্ট পুরুষের লালসা-মৌলবির লাম্পট্য-বোকা বৌ-এর বোকামি ইত্যাদি হরেকরকম ঝুলিতেই ভ
দিনের আলো গত হওয়ার পর ছোটো কুপি বা লন্ঠনের আলোয় দাদি-নানিরা আসর বসাতেন। কিস্‌সার আসর। আধুনিক প্রযুক্তির বাড়বাড়ন্ত যখন গ্রামবাংলার কুঠিরে থাবা বসাতে পারেনি, তখন বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে গল্প বা কিস্‌সার আসর মানুষকে মগ্ন করে রাখত। এই আসরি বিনোদনের পরম্পরাটি আজ গ্রামের জীবন থেকেও হারিয়ে গেছে। টেলিভিশন বা অতি সম্প্রতি স্মার্টফোনের আগ্রাসী প্রভাব সমস্ত বয়সের মানুষের কাছেই নেশার সামগ্রী হয়ে পড়েছে। আজ মানুষের কাছে বিনোদনের বহুমাত্রিক স্তর উপস্থিত হলেও, কয়েক দশক আগে মানুষের কাছে বিনোদনের এই বহুমাত্রিক পরিসর ছিল না। মানুষ সীমিত কিছু বিনোদনের সংরূপেই মজে থাকতেন। তেমনই একটা বিনোদন হল ‘কিস্&...
সাবস্ক্রাইব করুন বা কিনুন
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে এবং স্বাধীন বাংলা সাহিত্যকে সমর্থন করতে, এই লেখাটি কিনুন বা সম্পূর্ণ জার্নাল আর্কাইভ উন্মুক্ত করুন।