একবার ট্রেনে এক হিন্দিভাষী তরুণ প্রকৌশলীর অদ্ভুত প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছিল, সে জানতে চেয়েছিল—‘বৈজ্ঞানিক গবেষণায় নতুন নতুন খোঁজ পাওয়া যায়, জীবনের নানা ক্ষেত্রে সে খোঁজ কাজে লাগে, কিন্তু সাহিত্য গবেষণার কাজ কী? সাহিত্যে আমরা কী খুঁজে পাই, তার গুরুত্বই বা কী?’ প্রশ্নটা ‘অদ্ভুত’ এই কারণে, জানতাম সাহিত্য সম্পর্কিত একটা প্রচলিত সীমাবদ্ধ ধারণা থেকে প্রশ্নগুলির জন্ম, তবে প্রশ্নগুলি করার মাঝে সাহিত্যকে ছোটো করে দেখার মানসিকতা ছিল না, ছিল সাহিত্যের গুরুত্ব সম্পর্কে জানার কৌতূহল। আমি তার প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে গল্পের ছলে বৈদিক যুগ বা প্রাচীন ভারতের মানুষ, সমাজজীবন, অতীত সময় সম্পর্কে অনেক প্রশ্ন করে বসি। উত্তরে বলেছিল, তাহলে আমাদের ইতিহাস কিংবা বেদ, উপনিষদ, অন্যান্য প্রাচীন সাহিত্য পড়তে হবে। আমি তাকে বলেছিলাম ‘আসলে সাহিত্যের সার্থকতা এখানেই, যা বিজ্ঞানে খুঁজে বের করা সম্ভব নয়। সাহিত্য গবেষণার মূল অন্বেষণ সেখানেই, যেখানে বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা সেখানে সাহিত্য বিজ্ঞানকে দেখিয়েছে চরম অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি অন্বেষণের উদার উন্মুক্ত পথ, সাহিত্য এখানে নতুন খোঁজের দিশারি। প্রতিটি বিষয়ই সাহিত্যের অংশ, আবার
একবার ট্রেনে এক হিন্দিভাষী তরুণ প্রকৌশলীর অদ্ভুত প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছিল, সে জানতে চেয়েছিল—‘বৈজ্ঞানিক গবেষণায় নতুন নতুন খোঁজ পাওয়া যায়, জীবনের নানা ক্ষেত্রে সে খোঁজ কাজে লাগে, কিন্তু সাহিত্য গবেষণার কাজ কী? সাহিত্যে আমরা কী খুঁজে পাই, তার গুরুত্বই বা কী?’ প্রশ্নটা ‘অদ্ভুত’ এই কারণে, জানতাম সাহিত্য সম্পর্কিত একটা প্রচলিত সীমাবদ্ধ ধারণা থেকে প্রশ্নগুলির জন্ম, তবে প্রশ্নগুলি করার মাঝে সাহিত্যকে ছোটো করে দেখার মানসিকতা ছিল না, ছিল সাহিত্যের গুরুত্ব সম্পর্কে জানার কৌতূহল। আমি তার প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে গল্পের ছলে বৈদিক যুগ বা প্রাচীন ভারতের মানুষ, সমাজজীবন, অতীত স...
সাবস্ক্রাইব করুন বা কিনুন
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে এবং স্বাধীন বাংলা সাহিত্যকে সমর্থন করতে, এই লেখাটি কিনুন বা সম্পূর্ণ জার্নাল আর্কাইভ উন্মুক্ত করুন।