বসে থাকতে থাকতে চোখদুটো লেগে এসেছিল তপতীর। একটা মাঝারি ধাক্কা দিয়ে নড়ে চড়ে চলতে শুরু করেছিল ট্রেনটা। তিনি চোখ মেলে তাকালেন। শান্তিনিকেতন এক্সপ্রেসের সঠিক টাইমের ঠিক পাঁচ মিনিট পর ট্রেনটা ময়াল সাপের মতো ধীরে স্টেশন চত্বর ছেড়ে বেরিয়ে এল।
বসে থাকতে থাকতে চোখদুটো লেগে এসেছিল তপতীর। একটা মাঝারি ধাক্কা দিয়ে নড়ে চড়ে চলতে শুরু করেছিল ট্রেনটা। তিনি চোখ মেলে তাকালেন। শান্তিনিকেতন এক্সপ্রেসের সঠিক টাইমের ঠিক পাঁচ মিনিট পর ট্রেনটা ময়াল সাপের মতো ধীরে স্টেশন চত্বর ছেড়ে বেরিয়ে এল।<br /> <br /> সকাল থেকে ধকল কম যায়নি। ঋজুর কলেজ খোলা। কলেজ থেকে কম্পিউটার ক্লাস, ফিরতে সন্ধ্যা নেমে যায়। যদিও তার কাকিমা থাকবে বাড়িতে, মায়ের অভাব সে এতটুকু বুঝবে না। তবু তপতী তাঁর দায়িত্ব পুরোপুরি পালন করতে চাইছিলেন। অন্যদিন তার জন্য যতটা এগিয়ে জুগিয়ে রাখেন, আজ বোধহয় তার চেয়ে একটু বেশিই করে ফেললেন তপতী। একটা সময়ের পর হাঁপ ধরতে লাগল বুকে, এদিকে সময় এগোচ্ছে। ঝটপট...
সাবস্ক্রাইব করুন বা কিনুন
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে এবং স্বাধীন বাংলা সাহিত্যকে সমর্থন করতে, এই লেখাটি কিনুন বা সম্পূর্ণ জার্নাল আর্কাইভ উন্মুক্ত করুন।