প্রথম যখন গ্রীন এ্যারো থেকে বাবা আর ছোড়দা’র সঙ্গে নামলাম তখনও আমার দু’চোখ অবিরাম কান্নায় ফুলে আছে। কখন সঙ্গী খোদেজা ওর বড়দা’র সঙ্গে চলে গেছে কোন পরিচিতের বাড়ি খেয়াল করিনি। এক রিকশায় বাবার সঙ্গে, অন্য রিকশায় ছোড়দা আমার জন্য নতুন কেনা বেডিং-বালিশের হোল্ডল, স্যুটকেস নিয়ে আসছে।
প্রথম যখন গ্রীন এ্যারো থেকে বাবা আর ছোড়দা’র সঙ্গে নামলাম তখনও আমার দু’চোখ অবিরাম কান্নায় ফুলে আছে। কখন সঙ্গী খোদেজা ওর বড়দা’র সঙ্গে চলে গেছে কোন পরিচিতের বাড়ি খেয়াল করিনি। এক রিকশায় বাবার সঙ্গে, অন্য রিকশায় ছোড়দা আমার জন্য নতুন কেনা বেডিং-বালিশের হোল্ডল, স্যুটকেস নিয়ে আসছে। রিকশায় যখন ফুলবাড়িয়া রেলস্টেশন থেকে বাবার বন্ধু কবি আবদুল কাদির চাচার আজিমপুরের বাসার সামনে এসে থামল তখন রাত ৮/৯টা হবে। বাবার চিঠিতে চাচা-চাচি, দারা দাদা, বেবী, ছবি, রুবী--সবাই খবর জেনে আমাদের অপেক্ষায় ছিল। দরজায় রুবী-ছবি আমার দু’হাত ধরে টেনে ভেতরে নিয়ে চলল। আমার ভার মুখ ওরা খেয়ালই করল না। বাব...
সাবস্ক্রাইব করুন বা কিনুন
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে এবং স্বাধীন বাংলা সাহিত্যকে সমর্থন করতে, এই লেখাটি কিনুন বা সম্পূর্ণ জার্নাল আর্কাইভ উন্মুক্ত করুন।