ESC

আর্কাইভে অনুসন্ধানের জন্য অন্তত ২টি অক্ষর লিখুন।

লগ ইন নিবন্ধন করুন
← আর্কাইভে ফিরুন

December 2023 20th Year 28th Issue

Issue 240313174231 · Published March 2024

· ·

সংখ্যার বিবরণ

সংখ্যা
240313174231
প্রকাশনার বছর
2023
ISSN
1488-0792
ডিজিটাল প্রবেশাধিকার
৳200 / $2.00
মুদ্রিত সংস্করণ
৳300 / $3.00
প্রিন্ট + ডিজিটাল
৳500 / $5.00 + ডেলিভারি
December 2023 20th Year 28th Issue Cover

ছবির কথা / About Cover Art

আমরা মানুষেরা মাছ খাই, কিছু মানুষ মাছ খায় না। কিছু মাছ মানুষ খায়, অনেক মাছ মানুষ খায় না। যে মাছেরা যখন মানুষ খায় ,তারা কি জানে যে মানুষ খাচ্ছে? জানে হয়তো বা জানে না। তবে মানুষেরা জানে তারা মাছ খাচ্ছে।
মানুষ ইচ্ছে করেই মাছ খায়--কাঁচা, ভাজা, বারবিকিউ, ফিশ ফিংগার আরও যে কত রকমের মাছ খাওয়ার কৌশল-রেসিপি যে তারা জানে!
মাছেরা কখনো ইচ্ছে করে মানুষ খায় না, হয়তো খায়, কিন্তু তা আমি কখনো দেখিনি। কথাটা বললাম এই অর্থে যে, কখনো কোনো মাছকে স্থলে এসে মানুষ ধরে খেতে দেখিনি। কেমন হতো, যদি মাছেরাও সমুদ্র থেকে দলে দলে উঠে এসে মানুষ শিকার করে নিয়ে যেত? হয়তো মানুষকে জিততে পারত না, কারণ মানুষেরা জিম করে রে বাবা, তাদের আলাদা যুদ্ধ করার বাহিনী আছে, বুলেট প্রুফ জিনিসপত্র আছে, আরও কত কী যে আছে …! যাই হোক, মানুষকে জিততে না পারলেও মাছেরা মাছেদের কিন্তু শিকার করে গিলে খায়। ডিসকভারি চ্যানেলে দেখেছি, দেখেছি মাছ কাটতে গিয়ে, পেট চিরে ফেলতে গিয়ে। বড়ো মাছ ছোটো মাছকে, ছোটো মাছ আরও ছোটো মাছকে খাবে এটাই মনে হয় সমুদ্রে জীবনগুলির টিকে থাকার নিয়ম। আরও অনেক নিয়ম থাকতে পারে হয়তো যা আমি জানি না। যেমন, আমাদের মানুষের কত রকম নিয়ম আছে, অপরাধের নিয়ম, শাস্তির নিয়ম, যুদ্ধ করার নিয়ম, যুদ্ধে গিয়ে শহিদ হওয়ার নিয়ম, সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে হারিয়ে গেলে মাছকে, হাওয়াকে, সমুদ্রকে অভিযুক্ত করার নিয়ম, ইতিহাস, ইত্যাদি ইত্যাদি ।
আচ্ছা মানুষের মতো মাছেরাও কি শাস্তি পায়? ওদের কি ফাঁসির ব্যবস্থা আছে? কবর আছে? জানি না। জানি না তাই এটা একটা ‘অভিযুক্ত মাছ আর সমুদ্র’-র গল্প--আর কিছু না।
আমি শুধু গল্প আঁকি।

শেষ পাতা / Back Cover

December 2023 20th Year 28th Issue Back Cover

Explore the design and details featured on the back cover of ‘December 2023 20th Year 28th Issue’.

সম্পাদকীয় / Editorial

সম্পাদকীয়

আমাদের বর্তমান সংখ্যাটির ছাপাখানায় যাওয়ার প্রস্তুতি যখন চলছিল সেই অক্টোবর মাসেই দীর্ঘ সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে চলে আসা এক নিপীড়িত নির্যাতিত জনগোষ্ঠীর ওপর রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের মারণযজ্ঞ নতুন উৎকট বীভৎসতায় ফেটে পড়ল। এমন মারণযজ্ঞের ঘটমান বিবরণ তৎক্ষণাৎ মুঠোফোন এবং অন্যান্য সংবাদমাধ্যমে বাহিত হয়ে পৌঁছে যাচ্ছে বিশ্বের আনাচে কানাচে নানা সমাজে, গোষ্ঠীতে। তা সত্ত্বেও সকলেই যেন একে অপরের কাছ থেকে বিযুক্ত ও বিচ্ছিন্ন এবং হয়ে পড়ছে সংবেদহীন। প্রায় অবরুদ্ধ ‘গাজা’ নামক এক চিলতে ভূখণ্ডে গাদাগাদি করে থাকা সেই জনগোষ্ঠীর ওপর চালানো ইসরাইলের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বলি হলে ত্রিশ দিনে তিন হাজারেরও বেশি শিশু! মিনিটে ২৫টি করে শিশু নিধনের এই বর্বরতাতেও সবাই যেন ভ্রূক্ষেপহীন, নির্বিকার! কিন্তু কবির প্রতিবাদের কলম তো থেমে থাকে না। ওই ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেও অবরুদ্ধ গাজার মানচিত্র ফেটে ফিলিস্তিনী কবিদের কবিতা ছড়িয়ে পড়ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তাই নিয়ম ভেঙে এবার আমরাও বাংলা জর্নাল-এর রচনাক্রম শুরু করছি সময়ের ডাকে সাড়া দেওয়া শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুটি কবিতা দিয়ে।

বর্তমান সংখ্যার মূল আলোচ্য বিষয় ছিল ‘মুঠোফোন বা চলভাষে মনোজগৎ এবং বাঙালির উপনিবেশায়িত মন।’ এই বিষয় বেছে নেওয়ার পেছনে যে ভাবনাটি কাজ করেছে তা হচ্ছে, অবাধ এই তথ্যপ্রবাহ, সামাজিক যোগাযোগ এবং সংবাদমাধ্যমের প্রযুক্তি...
সম্পূর্ণ সম্পাদকীয় পড়ুন →

প্রবন্ধ

  • ‘নিরবধি কাল, বিপুলা পৃথ্বী’, কোনো না কোনো দিন কোথাও না কোথাও আমার কাব্যের কদর হবেই। বলেছিলেন প্রাচীন কবি। রোমান্টিক পার্সি শেলি আবার বলেছিলেন, মহাকালের কৃষ্ণগহ্বরে শত শত সূর্য একেবারে অবলুপ্ত হয়েছে, সেখানে আমার মতো ক্ষুদ্র আলোকবর্তিকা কী করে টিকে থাকার ভরসা করবে? পাঠকের মনে ছাপ রেখে যাবার এই আকুলতা থেকে কোন কবিই বা মুক্ত?

  • ​​​​​​​এই আলেখ্যের তিনটি চরিত্র: পাড়ার সর্বঘটের কাঁঠালি কলা মন্টু, বনফুলের জঙ্গম উপন্যাসের চরিত্র ভন্টু আর জীবনানন্দ দাশের কবিতা “আট বছর আগের একদিন”-এর সেই লোকটা। ব্যাপারটা যদি চন্দ্রবিন্দুর চ, বেড়ালের তালব্য শ, আর রুমালের মা মিলে চশমা শোনায় তাহলে হ য ব র ল’ র বেড়ালটা আবার সেই রকম বিশ্রী করে হেসে ওঠার আগেই, আপনি সমঝদারের ভঙ্গিতে হুঁ হুঁ করে যান। আসুন চরিত্রগুলির সঙ্গে অল্প-বিস্তর আলাপ করিয়ে দিই। তাহলে হয়তো ছবিটা একটু পরিষ্কার হবে।

  • আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে ভাঙাচোরার দশক হল ষাটের দশক। একদিকে মার্কসবাদী দলগুলোর মধ্যে ভাঙন বাড়ছে, অন্যদিকে অন্য একটা স্বপ্ন বাসা বাঁধছে তরুণ প্রজন্মের বুকে। বৈপ্লবিক ভাবনার পাশাপাশি স্থান পেয়েছে তখন নাগরিক বিষাদের এক পৃথিবী। এই যুগটাকে তুলনা করা যেতে পারে কুড়ি থেকে তিরিশ দশকের ইউরোপীয় সমাজের পরিপ্রেক্ষিতে।

  • ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার আমদানি হয় ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের অন্যতম সহায়ক মাধ্যম হিসেবে। তবুও বাঙালি ঔপনিবেশিক পরিবেশে পাশ্চাত্য ভাষা ও জ্ঞান-বিজ্ঞান অতি সমাদরে গৃহীত হয়। কারণ, তখন ইংরেজি ভাষার দখল মানুষের জীবিকা ও সামাজিক উন্নতির প্রাথমিক শর্তে উপনীত হয়। বস্তুত, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বৃহত্তর গণ্ডিতে অতি দ্রুত অনুপ্রবেশ ঘটে স্থানীয় মানুষের।

  • বিশ্বায়নের বাজারজাত জীবন থেকে অপু-দুর্গার নিশ্চিন্দিপুরের অস্তিত্ব প্রায় বিলুপ্ত। পাঠশালা আর গুরুমশাইও বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে গেছেন। বিদ্যালয়ের নিয়মমাফিক বেড়াজালের আটকে শৈশব এখন ‘আধুনিক’। আন্তর্জাতিক মানের পাঁচতারা স্কুলগুলি শহরের আনাচে কানাচে ডানা বিস্তার করে চলেছে।

  • প্রথম যখন গ্রীন এ্যারো থেকে বাবা আর ছোড়দা’র সঙ্গে নামলাম তখনও আমার দু’চোখ অবিরাম কান্নায় ফুলে আছে। কখন সঙ্গী খোদেজা ওর বড়দা’র সঙ্গে চলে গেছে কোন পরিচিতের বাড়ি খেয়াল করিনি। এক রিকশায় বাবার সঙ্গে, অন্য রিকশায় ছোড়দা আমার জন্য নতুন কেনা বেডিং-বালিশের হোল্ডল, স্যুটকেস নিয়ে আসছে।

  • ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্র মাত্রেই ব্রিটিশ রোম্যান্টিক কবি উইলিয়াম ব্লেকের একটি বিখ্যাত উক্তির কথা জানেন -–মহাকবি মিলটনের প্যারাডাইস লস্ট নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে ব্লেক বলেছিলেন যে মিলটন নিজের অজান্তেই স্যাটানকে (অর্থাৎ শয়তানকে) তাঁর কাব্যের নায়ক বানিয়েছেন।১ ব্লেকের এ মন্তব্য নিয়ে পণ্ডিত ও সমালোচক মহলে যথেষ্ট দ্বিমত রয়েছে-–কেউ কেউ যেমন মনে করেন ব্লেকের মন্তব্য যথার্থ, তেমনই আবার অনেকেই আছেন (তাঁরাই বোধহয় সংখ্যাগুরু) যাঁদের ধারণা ব্লেক অতিশয়োক্তি করেছেন, কারণ তাঁদের মতে মিলটনের কাব্যের চলন দেখেই বোঝা যায় যে স্যাটানের চরিত্রের ক্রমাগত অধোগতি হচ্ছে, তাই সে চরিত্র এই কাব্যের নায়ক হতে পারে না।

  • উপর্যুক্ত শিরোনামের প্রথমাংশটি বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষের নির্ধারণ করে দেওয়া, তবে সেটি তাঁরা ঠিক কোন অর্থে প্রয়োগ করেছেন তার কোনো ইশারা কিংবা ইঙ্গিত ছিল না কোথাও। ফলত এই অতিসংক্ষিপ্ত শিরোনামটির সঙ্গে নিজের মতো করে একটা বাড়তি লেজুড় যোগ করে দিয়ে এর অর্থ ও তাৎপর্য অনুসন্ধানের প্রয়াস পেয়েছি আমি এই নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধটিতে, যাকে ডাকতে চেয়েছি ‘আমার ব্যক্তিগত বোঝাপড়া’ বলে।

  • কার্ল মার্কস-এর Das Kapital: Kritik der politischen Oekonomie প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৮৬৭ সালে, কিন্তু কেবল প্রথম খণ্ড, শুধুই জার্মান ভাষায়; ইংরেজি অনুবাদ বেরোয় আরও কুড়ি বছর পরে। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় খণ্ডের ইংরেজি অনুবাদ বেরোয় ১৮৮৫ এবং ১৮৯৪ সালে। এইভাবে, Das Kapital-এর ইংরেজি অনুবাদ Capital প্রকাশিত হয়েছিল মার্কসের মৃত্যুর পরে, এঙ্গেলসের সম্পাদনায়, তিন খণ্ডে। এই তিনটি খণ্ডের সম্পূর্ণ অনুবাদ বাংলায় প্রথম হয়েছে ১৯৭৪ থেকে ১৯৮৩-র মধ্যে, অর্থাৎ ইংরেজি অনুবাদের প্রায় এক শতাব্দী পর।

  • সূচনা ব্যক্তি বা সমষ্টি অথবা শ্রেণি কারও জীবনই দ্বন্দ্ব মুক্ত নয়।১ আর জনগণের জীবন, যা টিকে থাকা থেকে সংগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত, তা স্থির-অচঞ্চল থাকে না। তাই, জনগণের সংগ্রামে রয়েছে গতিশীলতা; যে গতিশীলতা চলাচল করে শ্রেণি সংগ্রামের ছকের বা প্রেক্ষাপটের মধ্যে; আর শ্রেণি সংগ্রামের এই ছক জটিল।

  • ​​​​​​​বর্তমান সময় ও তার পারিপার্শ্বিক অবস্থাকে নিয়ে ভাবতে গেলেই আমার বার বার ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’র গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের কথা ও সুরে সেই জনপ্রিয় বিখ্যাত গানটির কথা মনে পড়ে যায়, আজকের সময়কে বোঝার জন্য যে গানটি খুব প্রাসঙ্গিক—“পৃথিবীটা নাকি ছোট হতে হতে/স্যাটেলাইট আর কেবলের হাতে/ ড্রয়িংরুমে বোকা বাক্সতে বন্দী/ঘরে বসে সারা দুনিয়ার সাথে/যোগাযোগ আজ হাতের মুঠোতে/ ঘুচে গেছে বেশ কাল সীমানার গণ্ডী।

  • ​​​​​​​ভূমিকা ভুয়ো খবর বা ফেক নিউজ নিয়ে সরকারের অভ্যন্তরে যেমন দ্বন্দ্ব রয়েছে, তেমন দোলাচল রয়েছে সংবাদ মাধ্যমের অন্দরে। সাম্প্রতিক কিছু ঘটনাপ্রবাহে সরকারি স্তরে ভুয়ো খবর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সমস্যা প্রকট হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করলে উঠে আসে, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রকের নানাবিধ টানাপোড়েন, কিছু গোষ্ঠী এবং রাজনৈতিক নেতার ইচ্ছাকৃতভাবে ভুয়ো খবর ছড়ানোর জন্য এক শ্রেণির মানুষ বিভ্রান্ত।

  • কমলাকান্তের মন হারিয়ে যায় অনেককাল আগে; কমলাকান্ত প্রশ্নবিদ্ধ–‘আমার মন কোথায় গেল? কে লইল? কই, যেখানে আমার মন ছিল, সেখানে নাই। যেখানে রাখিয়া ছিলাম, সেখানে নাই, কে চুরি করিল? কই, সাত পৃথিবী খুঁজিয়া ত আমার ‘মনচোর’ কাহাকে পাইলাম না। তবে কে চুরি করিল? কমলাকান্তের দপ্তর থেকে বেরিয়ে, আমাদের অনুসন্ধানপর্ব, অতঃপর লাগাতার হয়–রূপকথার কোন বইয়ে ‘মন পবনের দাঁড়’ পড়েছিলাম, এখন আর মনে নেই।

কবিতা

গল্প

  • In November 1898, in a poem, “Angels Unawares,” Swami Vivekananda wrote: One bending low with load of life— That meant no joy, but suffering harsh and hard— And wending on his way through dark and dismal paths Without a flash of light from brain or heart To give a moment’s cheer,1 (1-5)

  • In this study, I want to show that the greatest Bangali writer and the greatest English writer had one concern in common as fathers—how to marry their daughters to suitable bridegrooms. This anxiety of the daughters’ fathers is counterpoised by the greed for dowry among the young men seeking a rich father-in-law.

  • Earlier this year, I was asked to contribute to a fundraiser for an American magazine, n+1, I occasionally write for. The idea was that some writers, including me, would each recommend a book, or a few books, and write ‘blurbs’ for them; these would be available to donors who took part in a competition in which they had a chance of winning these books.

  • The educational policy implemented during the British colonial period, which was a component of the “civilizing mission,” undoubtedly had a significant impact on the political landscape of colonial India. For centuries, the Indian subcontinent has been the subject of study and scrutiny, with a particular focus on the impact of colonialism on its people and society. In this vein, a host of scholars, including Srikumar Acharya (1992), Sibaji Bandopadhyay (1991), Himani Bannerji (1998), and Tithi Bhattacharya (2005), have delved into the realm of colonial education in Bengal, exploring the ramifications of the British imposition of the English language and system of education on the region.

  • This year I reread Alexandra Kollontai’s writings after a long time. In the 1970s and the 80s when a wave of Marxist feminism was gathering strength, some works of Kollontai, such as, the Autobiography of a Sexually Emancipated communist Woman, Love of the Worker Bees and Red Love, gained attention. I am not sure to what extent they were closely studied, but feminist activist authors like Sheila Rowbotham gave her some prominence in discussing the impact of patriarchy on capital and class.

  • The Soviet system found the most effective way to disseminate the message of Revolution through the spread of education. In the countries of the Soviet East, especially Central Asia, these new experiences created by the atmosphere of education and enlightenment were often highlighted in many of their literary imagination. ​​​​​​​

  • প্রথম যেদিন সন্তোষ আমাকে গুহাটার কথা বলেছিল তিলমাত্র বিশ্বাস করিনি। বিশ্বাস করার কথাও নয় কারণ আমাদের শহরে পাহাড় নেই। পাহাড় ছাড়া গুহা থাকবে কীভাবে! সুতরাং সন্তোষের ব্যবসাটা নিশ্চয়ই জালিয়াতি ছাড়া অন্য কিছু নয়। এ শহরে এই একটা ব্যবসারই রমরমা দশা। প্রতি দশজনে একজন জালিয়াত। সন্তোষ যোগ দেয়ার পর হয়তো এখন সংখ্যাটা দুজনে দাঁড়িয়েছে। তবে জালিয়াতিও খুব একটা ছেলেখেলা গোছের জিনিস নয়, তার জন্য যথেষ্ট এলেম লাগে। সন্তোষের সেই এলেম আদৌ আছে বলে আমার বিশ্বাস হয় না। হয়তো আমিই ওর প্রথম খরিদ্দার। সন্তোষ জানে আমাকে ঠকানো সব থেকে সহজ।

  • মলয় কুণ্ডুর টার্গেট এখন সুজন চৌধুরী। সুজন চৌধুরীকে মলয় দেখে নেবে। মলয়ের বিরোধিতা করলে মলয় ছেড়ে কথা বলবে না। একগুঁয়ে লোক সুজন। অনেক সেধেছে, আসুন আমার কথায় সায় দেন, আসুন, আপনাকে আমি ভরিয়ে দেব। মলয়ের কথায় সুজন না করেছে, তা হয় না মলয়, তুমি যা করেছ, তার জন্য অনুতাপ করো, লালিমার কাছে ক্ষমা চেয়ে নাও। মলয় বলেছিল, তা হয় না সুজনদা, লালিমা আমাকে অপমান করেছে।

  • তারা দেখছিল ছেলেটি দূর থেকে তাদের দিকে এগিয়ে আসছে। দেখছিল, কারণ ছেলেটি বেশ নজর কাড়ে। ছেলেটির মুখে বুড়োটে ছাপ, কিন্তু তার হাঁটার ভঙ্গি বলে দিচ্ছিল যে, সে মোটে বছর কুড়ি। বুড়োটে মুখের ছেলেটি বেঞ্চে তাদের পাশেই বসে পড়েছিল। তারপর সে তার হাতে করে বয়ে আনা জিনিসটা তাদের দেখিয়েছিল।