আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে ভাঙাচোরার দশক হল ষাটের দশক। একদিকে মার্কসবাদী দলগুলোর মধ্যে ভাঙন বাড়ছে, অন্যদিকে অন্য একটা স্বপ্ন বাসা বাঁধছে তরুণ প্রজন্মের বুকে। বৈপ্লবিক ভাবনার পাশাপাশি স্থান পেয়েছে তখন নাগরিক বিষাদের এক পৃথিবী। এই যুগটাকে তুলনা করা যেতে পারে কুড়ি থেকে তিরিশ দশকের ইউরোপীয় সমাজের পরিপ্রেক্ষিতে।
আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে ভাঙাচোরার দশক হল ষাটের দশক। একদিকে মার্কসবাদী দলগুলোর মধ্যে ভাঙন বাড়ছে, অন্যদিকে অন্য একটা স্বপ্ন বাসা বাঁধছে তরুণ প্রজন্মের বুকে। বৈপ্লবিক ভাবনার পাশাপাশি স্থান পেয়েছে তখন নাগরিক বিষাদের এক পৃথিবী। এই যুগটাকে তুলনা করা যেতে পারে কুড়ি থেকে তিরিশ দশকের ইউরোপীয় সমাজের পরিপ্রেক্ষিতে। অস্তিত্ববাদ মাথাচাড়া দিচ্ছে এবং তার প্রভাব এসে পড়ছে আমাদের শিল্পে, সাহিত্যে, কবিতায়। তারই প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়তে শুরু করে দিয়েছে বাংলা কবিতাতেও। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এবং কৃত্তিবাসী কবিদের সম্পাদনায় তখন ‘কৃত্তিবাস’ পত্রিকা এই নব-অস্তিত্ববাদের এক প্রতিনিধি। যদিও কৃত্তিবাসের কবিরা পাঁচ-...
সাবস্ক্রাইব করুন বা কিনুন
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে এবং স্বাধীন বাংলা সাহিত্যকে সমর্থন করতে, এই লেখাটি কিনুন বা সম্পূর্ণ জার্নাল আর্কাইভ উন্মুক্ত করুন।