সেতুর ওপর এ মুহূর্তে ওঠার ক্ষমতা নেই অহন নামের ছেলেটার সাতপুরুষের কিন্তু উঠে সামনে তাকালে দেখা যেত ঢেউয়ের চূড়া পাহাড়প্রমাণ। এতখানিই যে নাওভাঙা সেতুর গা ছুঁয়ে যে জলের স্রোত তাতে প্রায় সমুদ্রের আকার। ঢেউ এসে রেলিং-এ ঝাপটা মারছে। স্পিডবোট নিয়েও এগোনোর উপায় নেই। পেছোনোরও নয়। শুধু নাওভাঙা সেতু ছাড়িয়ে ৫০০ মিটার আর জয়ন্তীপুরের কাছে অল্প একটু জায়গায় পিচের এবড়ো-খেবড়ো রাস্তা জেগে আছে। ক’দিন আগেই খবরের কাগজে এই রাস্তায় সার সার দাঁড়ানো পচে-যাওয়া মাছের লরির নিচে বাচ্চাদের ঠাসাঠাসি আর দুর্গন্ধময় রাস্তার ওপরে হাজার দুই পরিবারের বাস, খাওয়া, শোয়ার কথা লিখেছিল অহনেরা। তার কাজ ছিল ছবি-তোলার। আর তার সহকর্মীর--লেখার।
সেতুর ওপর এ মুহূর্তে ওঠার ক্ষমতা নেই অহন নামের ছেলেটার সাতপুরুষের কিন্তু উঠে সামনে তাকালে দেখা যেত ঢেউয়ের চূড়া পাহাড়প্রমাণ। এতখানিই যে নাওভাঙা সেতুর গা ছুঁয়ে যে জলের স্রোত তাতে প্রায় সমুদ্রের আকার। ঢেউ এসে রেলিং-এ ঝাপটা মারছে। স্পিডবোট নিয়েও এগোনোর উপায় নেই। পেছোনোরও নয়। শুধু নাওভাঙা সেতু ছাড়িয়ে ৫০০ মিটার আর জয়ন্তীপুরের কাছে অল্প একটু জায়গায় পিচের এবড়ো-খেবড়ো রাস্তা জেগে আছে। ক’দিন আগেই খবরের কাগজে এই রাস্তায় সার সার দাঁড়ানো পচে-যাওয়া মাছের লরির নিচে বাচ্চাদের ঠাসাঠাসি আর দুর্গন্ধময় রাস্তার ওপরে হাজার দুই পরিবারের বাস, খাওয়া, শোয়ার কথা লিখেছিল অহনেরা। তার কাজ ছিল ছবি-তোলার। আর তার সহকর্মী...
সাবস্ক্রাইব করুন বা কিনুন
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে এবং স্বাধীন বাংলা সাহিত্যকে সমর্থন করতে, এই লেখাটি কিনুন বা সম্পূর্ণ জার্নাল আর্কাইভ উন্মুক্ত করুন।