ESC

আর্কাইভে অনুসন্ধানের জন্য অন্তত ২টি অক্ষর লিখুন।

লগ ইন নিবন্ধন করুন
← আর্কাইভে ফিরুন

December 2024 21st Year 29th Issue

Issue 250302105332 · Published March 2025

· ·

সংখ্যার বিবরণ

সংখ্যা
250302105332
প্রকাশনার বছর
2024
ISSN
1488-0792
ডিজিটাল প্রবেশাধিকার
৳200 / $2.00
মুদ্রিত সংস্করণ
৳300 / $3.00
প্রিন্ট + ডিজিটাল
৳500 / $5.00 + ডেলিভারি
December 2024 21st Year 29th Issue Cover

ছবির কথা / About Cover Art

অ্যাক্রেলিকে করা আমার “মা” শিরোনামের ছবিটিতে আমি মাটিকে বা আমাদের পাহাড়ি প্রকৃতিকে মায়ের মতো করে দেখতে চেয়েছি।
আমাদের ত্রিপুরার পাহাড়ে জুম চাষ হয়। ফসল ফলে। জীবনের জন্ম হয়। একজন মাও জন্ম দেন। সেজন্যই মাটিও আমাদের মা। মায়ের শরীরে যেমন একটি প্রাণ ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠে, এই পাহাড়ি শরীরেও ঠিক সেভাবেই বেড়ে উঠছে ছোটো ছোটো প্ৰাণ। মায়ের আঁচলের মতো ঘিরে রয়েছে পাহাড়ি ছড়া বা ঝর্ণার জল। এসব নিয়েই আমার লাল মাটির দেশের সবুজ “মা”।

শেষ পাতা / Back Cover

December 2024 21st Year 29th Issue Back Cover

Explore the design and details featured on the back cover of ‘December 2024 21st Year 29th Issue’.

সম্পাদকীয় / Editorial

সম্পাদকীয়

আমাদের বর্তমান সংখ্যাটির মূল আলোচ্য বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছিল, পুরুষতান্ত্রিকতার বিরুদ্ধে সমকালিক লড়াই: বাংলায় এবং অন্যত্র, সাধারণত আমরা বছরের শুরুতে যখন মূল আলোচ্য একটি বিষয় বেছে নিয়ে লেখা আহ্বান করে থাকি সেজন্য ছয় থেকে সাত মাস সময় দিয়ে থাকি যেন আমরা বিষয়টির ওপর যথেষ্ট পরিমাণে লেখা পাই এবং তা থেকে যাচাই বাছাই করে লেখা ছাপতে পারি। বিষয় নির্ধারণ করে লেখা আহ্বান থেকে শুরু করে লেখা জমা নেওয়ার সর্বশেষ সময়সীমার মধ্যে রাষ্ট্রিক-সীমান্তিক-অসীমান্তিক, স্থানিক বা আন্তর্জাতিক পরিসরে ভাষিক-সাংস্কৃতিক পরিচয়ে বাংলা বা বাঙালির জীবনে অনেক কিছুই ঘটে যায় যা আমাদেরকে ভাবিত, তাড়িত করলেও সে সম্পর্কে তৎক্ষণাৎ আলোকপাত করার জন্য বিষয় পরিবর্তন করে প্রস্তুতি নেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব হয় না। এ বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক-সামাজিক পরিসরে ঘটমান বিষয়গুলো এখনও ঘোলাটে এবং দুই বাংলার মধ্যেকার ভাষিক-সাংস্কৃতিক হাজার বছরের ঐতিহাসিক যূথভাবনায় বড়ো ধরনের অভিঘাত তৈরি করছে যার চেহারাটি স্পষ্ট নয় তাই এ সংখ্যায় এ প্রসঙ্গে কোনোকিছুরই উল্লেখ আমরা করছি না। তাছাড়া নির্মোহ দৃষ্টিতে আলোকপাত করার জন্য সময়ের দূরত্বটাও অপরিহার্য। তবে বিগত সংখ্যায় কাকতালীয়ভাবে আমরা যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানুষের ভাবপ্রকাশের সক্ষমতা এবং তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করার বেগ অনেকগুণ বাড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি নতুন ধরনের অক্ষমত...
সম্পূর্ণ সম্পাদকীয় পড়ুন →

প্রবন্ধ

  • শুরুর কথায় আসি। একজন প্রগতিশীল মানুষের জীবন ও সাহিত্য আমাদের প্রগতির পথে নবজন্ম দেয়—একথা অনস্বীকার্য। দীর্ঘদিন ধরে একটা জিজ্ঞাসাচিহ্ন বহুজনের মতো আমার ভাবনাতেও দানা বেঁধে রয়েছে। ঊনবিংশ শতাব্দীতে স্ত্রী-শিক্ষা প্রসারের জন্যে পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এমন উদ্যোগী হওয়া সত্ত্বেও একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে এই বাংলার তথা ভারতবর্ষের মেয়েদের শিক্ষা কিংবা ক্ষমতায়নের জন্যে এত রকম প্রকল্প আর সচেতনতা শিবিরের প্রয়োজন হয় কেন? এই জিজ্ঞাসার সূত্র ধরেই বিদ্যাসাগর পরবর্তী বাঙালি মননচর্চায় আমার মনোনিবেশ।

  • এই উপশিরোনামের পেছনে পরিশ্রমের রেশ খুঁজে পাবেন যাঁরা, সেই অনুসন্ধিৎসু পাঠকেরা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে কাটাকুটি করা এই প্রবন্ধের বিশেষ লক্ষ্য। কারণ, যাঁর বিষয়ে বলতে গিয়ে এই শব্দগুলোর অবতারণা; তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে অন্যতম দিক্পালস্বরূপ ইতিহাস-লেখক অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯২০-২০০৩)। সংক্ষেপে যিনি অ.কু.ব নামে স্বাক্ষর করতেন। একই সঙ্গে তাঁকে গ্রন্থনার স্বীকৃতিও প্রবন্ধের উপস্থাপনাতেই দিয়ে রাখছি। এই দাবির কারণ ক্রমশ যুক্তি-পরম্পরায় স্পষ্ট হবে বলে লেখকের বিশ্বাস।

  • আরনেস্ট রিজ ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমসাময়িক এক ইংরেজ কবি। রবীন্দ্রনাথ নোবেল পুরস্কার পাবার আগেই তাঁর কবিতা শুনে রিজ তাঁকে বলেছিলেন যে রবীন্দ্রনাথের কবিতা আপাত বাস্তবতার অন্তরালে থাকা আদর্শ জীবনের প্রতি তাঁর বিশ্বাস ফিরিয়ে দিয়েছে, যে বিশ্বাস তিনি তাঁর যৌবনে লালন করতেন।১ ১৯১৫ সালে রবীন্দ্রনাথের একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনীও লিখেছিলেন রিজ। তাঁর সেই বইতে তিনি একটি প্রায় অবিশ্বাস্য কাহিনি লিখেছেন, যে কাহিনি তিনি শুনেছিলেন এডউইন মন্টেগুর কাছে, যিনি ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের এক প্রধান রাজপুরুষ।

  • ছিন্নপত্র-র ৯২ নং চিঠি, ৩০ আষাঢ় ১৮৯৩, সাজাদপুরে অবস্থানকালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলেন: “আজকাল কবিতা লেখাটা আমার পক্ষে যেন একটা গোপন-নিষিদ্ধ সুখসম্ভোগের মতো হয়ে পড়েছে--”১ রবীন্দ্রনাথের বয়ানে কবিতা লেখার ক্রিয়া আর যৌনক্রিয়া সমতলে অবস্থান করছে, তৈরি হয়েছে এমন এক সম্পর্কের বুনট যা ‘সুখসম্ভোগ’ হয়ে উঠেছে। যৌনতার এই লীলা, সুখকে আরও মধুর করে তোলে তা ‘গোপন’ এবং ‘নিষিদ্ধ’ বলেই।

  • ১৮২৮। তৈরি হলো ব্রাহ্মসমাজ উপাসনালয়। প্রবাসে দৈবের বশে, মাত্র পাঁচ বছরের মাথায়, ইংল্যান্ডের ব্রিস্টলে মারা গেলেন প্রতিষ্ঠাতা রামমোহন রায় (১৭৭২-১৮৩৩)। আরও পাঁচ বছর যেতে না যেতে, প্রায়-অবলুপ্ত ব্রাহ্মসমাজ। দ্বারকানাথ ঠাকুরের মাসকাবারি অর্থসাহায্যে কোনোরকমে টিকে রইল তা। রামমোহনের হাতে-গোনা কয়েকজন সুহৃৎ বই কেউই খোঁজ রাখতেন না ব্রাহ্মসমাজের। বিশেষ কোনো ঘটনা না ঘটলে, উনিশ শতকের বহুতর সভাসমিতির মতো বিস্মৃতির গহনে হারিয়ে যেত ব্রাহ্মসমাজ।

  • তদানীন্তন ব্রিটিশ ভারতে ১৯৩০ এর দশকে পূর্ববাংলার চট্টগ্রাম জেলার বিশেষত অধুনা চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড়তলিস্থ তৎকালীন রেলওয়ে ইউরোপীয়ান ক্লাবে সংঘটিত যে ঐতিহাসিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলোচ্য মামলাটির উদ্ভব হয় সেই মামলায় বর্ণিত আসামিদের নাম উপমহাদেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছে।

  • তিমিকে যে গিলে, সে তিমিঙ্গিল। আমাদের দেশের পুরাতন পণ্ডিতেরা বলিয়াছেন, যে ‘তিমি মাছ একশত যোজন (৮০০ মাইল) লম্বা; তিমিঙ্গিল সেই তিমিকে গিলে। তিমিঙ্গিলকে গিলে এমন মাছও আছে, তাহাকে বলে রাঘব।’ [উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী, “তিমিঙ্গিল”]

  • আজ থেকে ৫৫ বছর আগে অর্থাৎ, ১৯৬৯ সালের পঁচিশে বৈশাখ মুক্তি পায় গুপী গাইন বাঘা বাইন। গানের রেকর্ডিং শুরু ১৯৬৬-৬৭ সালে। ইন্ডিয়া ল্যাবে।১গুপী গাইন বাঘা বাইন-এর গান প্রসঙ্গে সত্যজিৎ এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘‘ছবির খসড়া করার আগে আমি কিছু গান রচনা করেছিলাম এবং তাতে সুর দিয়েছিলাম। বুঝতে চেষ্টা করেছিলাম, আদৌ এই ছবি আমি করতে পারব কি না।’’২ এখান থেকে বোঝা যায়, গোড়াতেই ছবি তৈরির ধাঁচায় বদল এনেছিলেন সত্যজিৎ— ছবির জন্য সঙ্গীত হলো না, হলো সঙ্গীতের জন্য ছবি।

  • মাথার ওপর দিয়ে ভেসে যায় চিল— ঘুরুনো ডানার ওপরে বড়ো নীল, সমস্ত আকাশ আমার পায়ের নীচে পৃথিবীর ঘাস,

  • ২৩শে মে ২০২৪। বয়স ২৬, মতান্তরে ২৮। ঢালিপাড়া, রিজেন্ট পার্ক, দক্ষিণ কলিকাতা-৭০০০১৬। চারতলার উপরে আগলভাঙা এক-কামরার এক ফ্ল্যাট; সদর-দরজা খোলা; জানালার কাচ ভাঙা; ঘরে সারি সারি সুরা-বোতল। মিলল এক রূপান্তরকামী নারীর রক্তাক্ত মৃতদেহ। শরীরে অসংখ্য ক্ষতচিহ্ন।

  • নারীবাদী চিকিৎসা ইতিহাসের প্রস্তাব শুনলেই মনে হতে পারে কাদম্বিনী গাঙ্গুলির কথা বলছি। কিন্তু এই প্রবন্ধে কাদম্বিনী গাঙ্গুলির কথা থাকছে না। এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, মহিলা চিকিৎসক, সর্বোপরি মহিলাদের স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে কাদম্বিনী অত্যন্ত শক্তিশালী এবং জরুরি নাম।

  • ‘নারীর প্রকৃত সম্পদ হলো তাঁর সম্মান, আব্রু ইত্যাদি’ সেই কবে ওম জড়ানো কাঁথায় মা, নানিদের কোলের মধ্যে এই কথা শুনে শুনে বড়ো হলাম। শৈশবের সেই ঘরোয়া পাঠগুলো নানাভাবে জীবনে বয়ে নিয়ে যেতে হয়। প্রতিনিয়ত শেখানো হয়েছে ‘একজন আদর্শ নারী কেমন হয়?’ যে তার একমাত্র ধন লজ্জা ও আব্রুকে বয়ে নিয়ে যাবে জীবনভর; হোক না সেই সমাজনির্দিষ্ট নারীর আব্রু ও লজ্জার ভারে আত্মসম্মান ও অধিকারগুলোর মাটিতে মিশে যাওয়া, অথবা এই ভারে জীবনভর ঝুঁকতে ঝুঁকতে ন্যুব্জ একজন মানুষ হিসেবে ভঙ্গুর হয়ে যাওয়া।

কবিতা

  • সূর্যকে গলাধঃকরণ করে নিতে ঘূর্ণাবর্তে কতকাল চাঁদ ঘুরে আসে শতবর্ষ-–জানে সে সূর্যের বিপুলবিক্রম সম্পূর্ণ গ্রাস করে নিতে চায় সৌরমণ্ডলীয় স্থানাঙ্কের নিখুঁত নির্ণয় যেখানে পরাস্ত হবে সূর্যের তেজ অবলীলায়

  • নতুনভাবে আজ আর আরম্ভ কিছু নেই। একটি প্রবাহ শুধু। মৃত্যুর দিকে হেঁটে যায় প্রতিটি উপমা, তার গোড়ালির ক্ষত।

  • নিরপেক্ষ সত্য কই, নির্বিচার নিন্দা কিংবা স্তূতিবাক্য শুধু স্বার্থপ্রতিকূল যারা, সততই পঞ্চমুখ তাদের নিন্দায় অনুকূল হলে তবে সুচয়িত স্তূতিমুখরিত দিন যায় সত্যের দিগন্ত ঢাকা থেকে যায় অনির্দিষ্ট শূন্যতায় ধু ধু

  • কিছু লোক আছে যারা খাওয়াবেই, রেঁধে-বেড়ে তোমাকেই। তোমারই ডেকচি, খুন্তি-কড়াই, তিজেল-পাতিল, মশলা-আনাজ, তোমারই রসুইশালা— সেঁধোবেই তারা। ‘পাস্তা বানাবো? জম্পেশ বেশ, খাস ইতালীয়? না? মুসাকা তবে, তুর্কি বা গ্রিক? শুঁটকি নতুবা? লইট্টা মাছ বাজার-টাটকা? পাতুরি তাহলে, চিতলের, দিশি ঘরোয়া?’

  • কতবার পিন ঘষি, তবু গান পুরনো হল না বছর বছর গেল, তবু তুমি পুরনো হলে না

গল্প

  • Before one knew it, it was morning. But the path through the floodplain seemed unending. And even after crossing the plain and reaching the main road, one still had to walk a long way down that. Ahedali looked around to steal a glance at the sun, as yet devoid of heat that had just emerged over the mist-laden horizon. He then called out to his son and said, “Twist the cow’s ears hard, my boy! Why doesn’t the bloody cow move fast?”

  • Rabindranath Tagore spent a few weeks in China in 1924, giving quite a few lectures and talks in the course of his visit to Nanjing, Beijing,Hangzhou and Shanghai. These lectures were subsequently published as Talks in China, first by Visva-Bharati, probably after his return to India in 1924; however, this edition was withdrawn later for reasons unknown. What was later made available is the 1925 edition printed by Arunoday Art Press of Kolkata. It is dedicated to the Chinese poet Xu Zhimo (1895-1931), whom Rabindranathhad fondly called Susima.1

  • Much has been discussed about the personal life of Annapurna Devi. In this article I want to find an answer to the question: whether Annapurna was able to create a new definition of ‘artistry’ for herself. Why her musical journey is so important in the world of North Indian Classical Music?In order to find out the answers to these questions, we will have to revisit Annapurna’s life-story.

  • In the undivided Bangladesh-India-Pakistan subcontinent, it was a historical time spanning imperialist conspiracy, imperialism’s retreat, comprador-bourgeois-feudal segments’ ascent to political power, the working classes’ virile struggles and its tragic set back. That was 1947, and its immediate pre- and post- periods.

  • The lower middle class in Bengal is a community the likes of which I can draw no comparison. There is a kind of psychic violence to life that is impossible to describe; it must be witnessed. The precarity of life is harrowing, and the disappointments--educationally, politically, environmentally and otherwise--pile up so high, that they can become simply overwhelming. The educational system is riddled with injustice, hypocrisy and spite, and the degrees garnered at considerable family expense, outnumber opportunities ten to one. Suicide around exam times is common, and the very classification of “middle-class” is also somewhat deceiving; for many the distinction pertains only to living in a brick-built structure (a pakabari) owned or rented, and being of an upper caste.

  • [প্রাতর্ভ্রমণের এই দিনপঞ্জি অনেকদিন ধরে লেখা হয়েছে। এই স্তবকগুলি শুধুমাত্র সকালবেলার। সূর্যোদয়ের পর যা দেখেছি ঘণ্টা দেড়েক, তার কথা। এখানে কয়েকদিনের কথা লিপিবদ্ধ হল। সবদিনই আলাদা দিন। আগের দিনের মানুষ নতুন দিনের মানুষ হয়ে ওঠে নতুন সূর্যের আলো ফোটার পর।]

  • সেতুর ওপর এ মুহূর্তে ওঠার ক্ষমতা নেই অহন নামের ছেলেটার সাতপুরুষের কিন্তু উঠে সামনে তাকালে দেখা যেত ঢেউয়ের চূড়া পাহাড়প্রমাণ। এতখানিই যে নাওভাঙা সেতুর গা ছুঁয়ে যে জলের স্রোত তাতে প্রায় সমুদ্রের আকার। ঢেউ এসে রেলিং-এ ঝাপটা মারছে। স্পিডবোট নিয়েও এগোনোর উপায় নেই। পেছোনোরও নয়। শুধু নাওভাঙা সেতু ছাড়িয়ে ৫০০ মিটার আর জয়ন্তীপুরের কাছে অল্প একটু জায়গায় পিচের এবড়ো-খেবড়ো রাস্তা জেগে আছে। ক’দিন আগেই খবরের কাগজে এই রাস্তায় সার সার দাঁড়ানো পচে-যাওয়া মাছের লরির নিচে বাচ্চাদের ঠাসাঠাসি আর দুর্গন্ধময় রাস্তার ওপরে হাজার দুই পরিবারের বাস, খাওয়া, শোয়ার কথা লিখেছিল অহনেরা। তার কাজ ছিল ছবি-তোলার। আর তার সহকর্মীর--লেখার।