মরলেই আসলে বেঁচে যান মানববাবু। পচন ধরেছে গায়। রস পড়ে চুঁইয়ে, লেগে থাকে আঠার মতো। পাশ ফিরতে গেলেও চড়চড় শব্দ হয়। কাপড় থেকে চামড়া আলাদা করা তখন দস্তুরমতো জুলুম। দেখাশোনার বিশেষ কেউ নেই, জুলুমটা তাই নিজেকেই করতে হয়। করতে করতে তিনি ক্লান্ত। বীতশ্রদ্ধ। ভাবেন --- চারপাশে কত মানুষ মরছে, মওত কি ভুল করেও একবার আসতে পারে না তাঁর শিয়রে?
মরলেই আসলে বেঁচে যান মানববাবু।<br /> <br /> পচন ধরেছে গায়। রস পড়ে চুঁইয়ে, লেগে থাকে আঠার মতো। পাশ ফিরতে গেলেও চড়চড় শব্দ হয়। কাপড় থেকে চামড়া আলাদা করা তখন দস্তুরমতো জুলুম। দেখাশোনার বিশেষ কেউ নেই, জুলুমটা তাই নিজেকেই করতে হয়। করতে করতে তিনি ক্লান্ত। বীতশ্রদ্ধ। ভাবেন --- চারপাশে কত মানুষ মরছে, মওত কি ভুল করেও একবার আসতে পারে না তাঁর শিয়রে?<br /> <br /> বেড়ার ফাঁক দিয়ে আলো ঢুকছে। এক বাক্য আলো গিয়ে পড়েছে ওপাশের বেড়ায়। সেখানে ঝুলছে কিছু উড়ন্ত শৈশব। আহা! কত রঙিন কত আলো-ঝলমল কত সুখের ছিল কত যাপন। কত সজীব কত কাছের কত আপন ছিল সন্তানেরা! ভাবেন আর শ্বাস ফেলেন মানববাবু। শ্বাসটা দীর্ঘ হয়...
সাবস্ক্রাইব করুন বা কিনুন
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে এবং স্বাধীন বাংলা সাহিত্যকে সমর্থন করতে, এই লেখাটি কিনুন বা সম্পূর্ণ জার্নাল আর্কাইভ উন্মুক্ত করুন।