ESC

আর্কাইভে অনুসন্ধানের জন্য অন্তত ২টি অক্ষর লিখুন।

লগ ইন নিবন্ধন করুন
← আর্কাইভে ফিরুন

December 2019 17th Year 25th Issue

Issue 210905151235 · Published September 2021

· ·

সংখ্যার বিবরণ

সংখ্যা
210905151235
প্রকাশনার বছর
2019
ISSN
1488-0792
ডিজিটাল প্রবেশাধিকার
৳200 / $2.00
মুদ্রিত সংস্করণ
৳300 / $3.00
প্রিন্ট + ডিজিটাল
৳500 / $5.00 + ডেলিভারি
December 2019 17th Year 25th Issue Cover

ছবির কথা / About Cover Art

 ভাবনাটার শুরু এই ‘আমি’কে নিয়েই। প্রশ্ন হচ্ছে “আমি কে?” তার উত্তর হতে পারে আমি হচ্ছি সে, যে...“নারী, ক্ষমতা, অবদমিত, জন্ম নেওয়ার আগেই খুন হয়ে যাওয়া ভ্রূণ, খিদের আগুনে জ্বলা লক্ষ-কোটি জঠর...” আমি তার কোনওটিই হতে চাইনি... আমি হচ্ছি পুরো একটি প্রজন্ম যাকে অন্ধ ও পঙ্গু করে দেওয়া হচ্ছে... প্রচ্ছদে ব্যবহৃত কাজটির শিরোনাম : ইন সার্চ অব ...। ছবিতে ব্যবহৃত উপাদানের মধ্যে রয়েছে সুতো, কাপড়, কাগজ, কালি এবং অ্যাক্রেলিকের পাত। কাজটি করা হয়েছে ২০১৭ সালে। 

শেষ পাতা / Back Cover

December 2019 17th Year 25th Issue Back Cover

Explore the design and details featured on the back cover of ‘December 2019 17th Year 25th Issue’.

সম্পাদকীয় / Editorial

সম্পাদকীয়

এই প্রথমবারের মতো বাংলা জর্নালে কোনও একটি বিষয়ে আলোকপাতের জন্য অতিথি সম্পাদক হওয়ার জন্য বাংলাভাষীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল 'নতুন প্রজন্মের বাঙালির চিন্তা-ভাবনা' যেহেতু এই সংখ্যার মুখ্য আলোচনার বিষয় সেক্ষেত্রে ওই প্রজন্মের মধ্য থেকেই না হয় কেউ না কেউ এগিয়ে আসুক অতিথি হিসেবে সম্পাদনার দায়িত্ব নিয়ে। আশা করেছিলাম অধিকাংশ বাংলাভাষী অধ্যুষিত বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য ছাড়িয়েও প্রবাসের নানা জায়গায় গড়ে ওঠা বাংলাভাষী লেখকদের মধ্য থেকে কেউ না কেউ হয়তো এগিয়ে আসবেন। কার্যত দেখা গেল একমাত্র বাংলাদেশ থেকে সহুল আহমদ এবং সারোয়ার তুষার এগিয়ে এলেন। জর্নাল তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ। তাঁদের সম্পাদিত অংশ থেকে অন্তত নতুন প্রজন্মের বাঙালির চিন্তা-ভাবনার একটা আংশিক পরিচয় আমরা পাচ্ছি এবং তা প্রধানত বাংলাদেশ এবং মধ্যবিত্তের সামাজিক, রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক ভাবনাকেন্দ্রিক। কিন্তু অতিথি সম্পাদকদ্বয় যেমন, তেমনি আমরাও জর্নালের পক্ষ থেকে স্বীকার করছি যে এই পরিবেশনাতেও একটা লৈঙ্গিক (কোনও নারীর প্রতিনিধিত্ব নেই) ভারসাম্যহীনতা রয়ে গেছে। সহুল এবং সারোয়ারের ঐকান্তিক চেষ্টা সত্ত্বেও এই ফাঁকটা পূরণ করা গেল না।

অতিথি সম্পাদকদ্বয়ের সম্পাদিত অংশের বাইরে জর্নালের নিয়মিত পরিবেশনার মধ্যে রয়েছে ভাষিক, সাংস্কৃতিক ও ভৌগোলিক ভিন্নতা নির্বিশেষে নবীন প্রজন্মের কাছে রবীন্দ্রনাথের প্রতি আকর...
সম্পূর্ণ সম্পাদকীয় পড়ুন →

প্রবন্ধ

  • অষ্টাদশ শতকে ব্রিটিশ কোম্পানি বাংলা তথা ভারতে সাম্রাজ্য বিস্তারের পর থেকে বণিকের 'মানদণ্ড' ধীরে ধীরে পরিণত হয়েছিল 'রাজদণ্ড'তে। শাসনতন্ত্রে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকেই কোম্পানি ভারতে সাম্রাজ্যবাদী ভাবাদর্শের পরিকল্পনা রচনা করে। এই প্রক্রিয়ার অনেকগুলি উপাদান ছিল। যার মধ্যে অন্যতম হল কীভাবে ব্রিটিশরা এত বড়ো দেশে নিজেদের শাসনের যৌক্তিকতা বিচার করবে? সেক্ষেত্রে অষ্টাদশ শতকের শেষদিক থেকেই ব্রিটিশরা নিজেদের শাসনযন্ত্রে কিছু 'মৌলিক সরকারি নীতি'১ আনয়ন করে যথা, সম্পত্তি সুরক্ষা করা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, উন্নয়নকে গতিপ্রাপ্ত করা সর্বোপরি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা। ব্রিটিশ প্রশাসকরা সর্বদাই দাবি করতেন, ব্রিটিশ বিচারের মূলস্তম্ভ নিহিত আছে তাদের দ্বারা পরিচালিত সরকারে, যা ভারতীয়দের স্বাধীনতাকে নিশ্চিত করবে সেইসঙ্গে ভারতীয়দের সুসভ্য করে তুলবে।

  • একজন আঙুল উঁচিয়ে খেঁকিয়ে বলে, কলমা জানতা? দু'বোন মাথা নাড়ে। ---পড়। দু'বোনের হাত থমকে যায়। গড়গড়িয়ে বলে, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মোহাম্মদের রসুলুল্লাহা্। ---শাবাশ।

  • বর্তমানে উত্তরবঙ্গ বলে পরিচিত যে ভূখণ্ডটি ভারতবর্ষ ও বাংলাদেশে বিস্তৃত সেই অঞ্চলের আঞ্চলিক গুণাবলির মধ্যে অন্যতম হল এর ভাষা-বৈশিষ্ট্য। ভারতবর্ষে এই ভাষা স্থানভেদে রাজবংশী ভাষা১, কামতাপুরী ভাষা২, সুরজাপুরী৩, দিনাজপুরী৪, কোচবিহারী৫, মোরঙ্গিয়া৬, কামতাবেহারি ভাষা৭, ও গোয়ালপাড়িয়া৮ ভাষা বলে পরিচিত। অন্যদিকে বাংলাদেশে এই ভাষা মূলত 'রংপুরী ভাষা' বা 'অম্পুরিয়া ভাষা' বলে সুপরিচিত। তবে উত্তরবঙ্গ ছাড়াও নেপাল-এর তরাই অঞ্চল৯, বিহার রাজ্যের পুরুলিয়া, কিষাণগঞ্জ অঞ্চল, আসাম রাজ্যের গোয়ালপাড়া, ধুবড়ি, গুয়াহাটি-মেঘালয় রাজ্যের কিছু অঞ্চল ও ভুটানের কিয়দংশে এই ভাষা স্থানীয় ভাষা। বর্তমান প্রবন্ধে আমি 'রাজবংশী কামতাপুরী' শব্দবন্ধ ব্যবহার করব এই দুই শব্দের জনপ্রিয়তার নিরিখে।

  • ধরা যাক আজকের যুগের বিশ্বায়িত বাঙালি বন্ধু-বন্ধুনীদের কথা (অনেকেই জানে---'বন্ধুনী' নামক শব্দটিকে বাংলা ভাষায় অমর করে দিয়ে গেছেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, তাঁর শেষের কবিতা উপন্যাসে)। ধরা যাক তারা সমবেত হয়েছে আধুনিক পৃথিবীর এক আধুনিক শহরে --- কলকাতা, মুম্বাই, ঢাকা, লন্ডন, নিউ ইয়র্ক বা টরন্টোতে। এও ধরা যাক --- ধরে নেওয়ার জন্যেই ধরে নেওয়া যাক --- জীবনকে পার্থিবভাবে উপভোগ করার প্রচুর থেকে প্রচুরতর উপকরণ তাদের হাতে মজবুত। এমন সময়ে তাদের সাধ হল রবীন্দ্রনাথের, আরও নির্দিষ্ট করে বললে রবীন্দ্রনাথের গানের, যে গান--- আক্ষরিক অর্থেই--- বাঙালির জীবন-মরণের সঙ্গী।

  • বিগত তিন বছর ধরে, যবে থেকে পড়তে এসেছি পশ্চিমবঙ্গে, রাস্তাঘাটে বিভিন্ন লোকজনের মুখ থেকে অনেকবার শুনে চলেছি একটি অন-অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন --- হঠাৎ বাংলা কেন? এই প্রশ্নটির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত যে আকস্মিকতা, তা প্রায়শই আমাকে নিরস্ত্র করে তোলে, কারণ আমার কাছে এর যথার্থ কোনও উত্তরই নেই। যতবার বোঝানোর চেষ্টা করি যে, হঠাৎই তো কিছু হয় না, এবং আমার বাংলা শেখার পেছনে কত শত খুদে কারণ লুকিয়ে আছে, যেগুলি আলাদা আলাদা করে ব্যাখ্যা করতে গেলে দেখা যাবে একটি প্যাঁচালো ও সূক্ষ্ম সম্পর্কের জাল, ততবার আমার শ্রোতা ঈষৎ ধৈর্যচ্যুত হয়ে গল্পটাকে খাটো করার জন্য আচমকাই জিজ্ঞেস করে ওঠেন---তাহলে রবীন্দ্রনাথের জন্য?

  • মোহাম্মদ আজমের বাংলা ও প্রমিত বাংলা সমাচার বইটিকে কঠোর শাস্ত্রীয় অর্থে ভাষা-বিজ্ঞান বা ভাষা-দর্শনের বই না বলা গেলেও বইটি ভাষা বিষয়ক যে যে বিবেচনাকে সামনে রেখে রচিত, তা গভীর অর্থে দার্শনিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক প্রশ্নই। গণতান্ত্রিকতা ও বি-উপনিবেশায়ন তাঁর বিশ্লেষণ ও আলোচনার দু'টি মৌলিক প্রপঞ্চ যা দিয়ে ভাষা বিষয়ক প্রায় সমস্ত অনুষঙ্গকে তিনি বিশ্লেষণ করেন।

  • ভূতেরা নাকি অশরীরী সত্তা। তাদের উপদ্রবের কি কোনও শেষ আছে? এই মনে কর, চকোলেট খাচ্ছ, ভূতে কেড়ে নিয়ে গেল। এ রকম তো কতই হয়! কী বল! হয় না? ও মা, বল কী? তুমি তাহলে জেনে গেছ যে এইসব ভূত-প্রেত আসলে ঢপ্, সব ভুয়া কথা?! আসলে ভূত-প্রেত বলে কিছুই নেই!! এরা শুধু ভয় দেখানোর জন্য মানুষের কল্পনায় এসেছে। বাহ্! তাহলে তোমাকে তো বোকা বানানো গেল না। তাহলে অন্য একটা ফন্দি আঁটা যাক!

  • ২০১৫ সালে রোলিং স্টোনের এক কভার নিউজে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প একবার আলোচনায় আসেন রিপাবলিকান পার্টির প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কার্লি ফ্লোরিনাকে নিয়ে একটা সেক্সিস্ট জোক করার জন্যে। লেখক পল সোলোটারফের সঙ্গে বসে থাকার সময় একটা ভিডিও ক্লিপে ফ্লোরিনার ছবি আসতেই ট্রাম্প আঙুল দেখিয়ে বলেন, ''এই মুখখানা দেখেন, এনাকে এই চেহারার জন্যে কে ভোট দেবে? ... তিনি অবশ্যই একজন মহিলা, এখন এইজন্যে তো আমার এইসব বলা উচিত নয়। কিন্তু, কাম অন ফোকস। আর উই সিরিয়াস?'

  • কোনও আন্দোলন শুরু হবার পর সবারই কতগুলো প্রশ্ন মাথায় আসে। আন্দোলনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কী? কে বা কারা করছে? নেতা কে? তারা কি বামপন্থি নাকি ডানপন্থি, সরকারপন্থি নাকি সরকারবিরোধী? কোনও আন্দোলন শুরু হবার পরপরই রাষ্ট্রীয় কর্তাব্যক্তি ও বুদ্ধিজীবীরা চোখ-কান খুলে এইসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে থাকেন। আন্দোলনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে থাকেন। আন্দোলন সংগ্রাম হলেই দল থাকবে, নেতা থাকবে, নাম সম্বলিত ব্যানার-ফেস্টুন, পোস্টার-প্ল্যাকার্ড থাকবে, ''মঞ্চ-মাইক-মুখপাত্র-মুরুবিব-কমিটি''১ থাকবে এইসব চিন্তা আমাদের মস্তিষ্কে প্রোথিত হয়ে গেছে।

  • সমাজ বদলে গেলে মানুষের চিন্তা-পদ্ধতি বদলে যায়। বদলে যায় ভাষা ও ভাষিক উৎপাদন। এই বদল কখনও কেন্দ্রমুখী হতে পারে, আবার কেন্দ্রবিমুখীও হতে পারে। ভাষার শরীরে জাতিসত্তার জীবনী আঁকা থাকে। সময়ের দাগ কোনও না কোনওভাবে লেপ্টে থাকে ভাষার বহুবর্ণিল ত্বকের তলায়। এই কারণে মানুষকে ধরে যেমন ভাষার দিকে যাওয়া যায়, আবার ভাষাকে ছেঁকেও উদ্ধার করা যায় নির্দিষ্ট কালখণ্ডে লোকের চারিত্র্য ও বিষয় সম্পৃক্তি।

  • ইতিহাসের লক্ষণ হচ্ছে পরিপ্রেক্ষিত বিচার। তার শুরু বর্তমান থেকেই। বর্তমানে উত্থাপিত প্রশ্নের মীমাংসার সূত্র ধরেই। বর্তমান থেকে অতীতে যাওয়া তখনই, যখন অতীত সম্পর্ক---অতীত পরিপ্রেক্ষিত, বর্তমান সম্পর্ক---বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতকে ব্যাখ্যা করে। ধারাবাহিকতা নির্মাণ করে। নির্দেশ করে ভবিষ্যতের। তাই ইতিহাস হল পরিপ্রেক্ষিতায়ণ।

  • এমা গোল্ডম্যান, ১৮৬৯ সালে বিপ্লবপূর্ব রাশিয়ার জন্ম নেয়া একজন প্রখ্যাত অরাজবাদী বা অ্যানার্কিস্ট তাত্ত্বিক, বামপন্থি রাজনীতিবিদ, দার্শনিক এবং নারীবাদী তাত্ত্বিক। এমা গোল্ডম্যান ছিলেন তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক কর্মবাদিতার এক বিরল মিশ্রণ। তিনি একদিকে যেমন রচনা করেছেন অরাজবাদী রাজনৈতিক-দার্শনিক তত্ত্ব, তেমনি ঘুরে বেড়িয়েছেন সারা দুনিয়া, অরাজবাদী ও মুক্তিমুখিন আন্দোলন-সংগ্রাম গড়ে তোলার জন্যে। বিপ্লবী রাজনীতির জন্যে সাজা পেয়েছেন, বন্দি হয়েছেন, কারাবাস করেছেন বহুবার।

  • মওলানা ভাসানীকে নিয়ে আলোচনা করা, বিশেষ করে যে ধারার আলোচনায় আমরা অভ্যস্ত, সেই ধারায় তাঁকে বিচার-বিশ্লেষণ করা খুব মুশকিলের কারণ, বিদ্যমান কোনও ছকে ফেলে তাঁকে যেমন কাবু করা যায় না, তেমনি ধরাও যায় না। আর পার্টিজান সাহিত্যে মওলানাকে আবদ্ধ করা প্রায় অসম্ভবই বলা যায়। আবার, বাংলাদেশের রাজনীতির যত ধারা বর্তমান, সেই ধারাগুলোর ঐতিহাসিক আলোচনা মওলানার উল্লেখ ব্যতীত সম্ভবও নয়। যার ফলে, ডান-বাম-মধ্য সকল পন্থিওয়ালার কাছে মওলানা থাকেন, তবে সেটা খণ্ডিত আকারে।

  • বাস্তবতা নির্মাণের নানাবিধ রূপরেখা, চিন্তা ও মননের অন্তর্কলহ, জাদু ও বিজ্ঞানের সংঘাত ও সংঘর্ষের এক অনবদ্য সৃষ্টিশীলতার নাম 'জাদুবাস্তববাদ'। যৌক্তিকতা বনাম সম্মোহনশীলতা, পাশ্চাত্য বনাম প্রান্তিকতার বৈপরীত্যমূলক সম্পর্কের প্রতিফলন হিসাবে উনিশ শতকের শেষার্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প আন্দোলনের একটি ধারা জাদুবাস্তববাদ। জাদুবাস্তববাদ শুধু লাতিন আমেরিকার শিল্প আন্দোলনই নয় বরং তা গত পাঁচ দশকে পরিণত হয়েছে তৃতীয় বিশ্বের এবং ডায়াসপোরিক লেখকদের আন্দোলনে।

  • জার্মান দার্শনিক ও সমালোচক ওয়াল্টার বেনিয়ামিনের লেখা নিয়ে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের অভাব নেই। তাঁর লেখা সরাসরি পাঠ করে বুঝতে পারাটা অনেকের কাছেই সহজ কাজ নয়। আবার তাঁর ব্যাখ্যাকারদের মধ্যেও তাঁকে নিয়ে অনেক বিভ্রান্তি ও মতভেদ দেখা যায়। বেনিয়ামিনের তফসির (ব্যাখ্যা) নিয়ে লেখকদের মধ্যে বহু তর্ক ও ভিন্নমত থাকা সত্ত্বেও এইসব তফসিরের গুরুত্ব অনেক। কারণ তফসির ছাড়া পাঠকদের পক্ষে বেনিয়ামিনের লেখায় দাঁত বসানো কঠিন। বেনিয়ামিনের বিখ্যাত ইতিহাসের ধারণা প্রসঙ্গে নামক লেখায় হাজির থাকা নাউ-টাইম (Jetztzeit) ধারণাটির ক্ষেত্রেও একই কথা বলা যায়। আমার বেনিয়ামিন পাঠ অনেকটাই ইতালীয় তাত্ত্বিক জর্জো আগামবেনের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ প্রভাবিত।

কবিতা

গল্প

  • Sexual practices, beliefs and ideologies were gradually shifting in a new discursive pattern in late 19th century colonial Bengal. The project of social reformation was working from the middle of the century to sanitize almost all the aspects of Bangali cultural life and was trying to re-shape it in a more radical way.

  • In post-industrial and consumer-based time when the ‘hybrid’ of technology and experience, the alliance between machine and representation is taking place, every citizen could construct her own ‘custom lifestyle’ and ‘select’ her ideology from a large (but not infinite) number of choices. Rather than pushing the same objects/information to a large group, globalised capitalist marketing strategies tries to target each individual separately through the medium of ‘New Media’.

  • Let me begin by offering my namaskar to this august assembly of the President of Kazakhstan,Asian writers and Littérateur. Thanks to the Kazakhstan Writers Forum for arranging this greatevent, in India which may be called as the Rajasuyayagna, the mythical event of imperial sacrifices or the King’s inauguration sacrifices; it was a consecration of a king.

  • Tajikistan is the smallest land in Central Asia with a dilapidated economy which suffers acute social instability in her post-Soviet phase. But as a land of classical heritage, she inherited a rich legacy of culture from pre-soviet and soviet epoch. And these ethereal elements created the basis for sustaining her cultural entity that supported her journey towards independent nationhood.

  • সন্ধ্যার পর পরই সাহেব কেবিনে একটা টেবিল দখল করে পিন পিন শব্দে উড়তে থাকা মশাদের হাতের তালুতে পিষতে পিষতে আড্ডায় যোগ দিই। আড্ডায় অংশগ্রহণ করতেই হয়, সারাদিনের প্রাইভেট ডিউটি শেষে পাবলিক বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা একটু হলেও রিল্যাক্সেশন দেয়। হাত নোংরা হল না, বুদ্ধিদীপ্ত ধূসর কোষে শান দেয়াও হয়ে গেল। কী নিয়ে আলাপ হয় না আমাদের! দর্শন, ইতিহাস, সাম্প্রতিক রাজনীতি, সাহিত্য, সিনেমা, একটু আধটু বিজ্ঞান! সবই হয়ে যায়।

  • যশোর এয়ারপোর্টের ইন্টারনাল চেকিং কমপ্লিট করে সালামতউল্লা বের হয়ে এল ক্যান্টনমেন্টের পথে। সালালাহ থেকে ১২ ঘণ্টার বাস জার্নির পর গাল্‌ফ এয়ারের সস্তার ফ্লাইটে মাস্কট থেকে দুবাই বাহরাইন ভায়া হয়ে ঢাকায় এসে অবতরণে ৪ ঘণ্টার আকাশপথে লোকাল ট্রেনের মতো ৮ ঘণ্টা লেগে যায়। ৮ ঘণ্টার ক্লান্তি নিয়ে ঢাকা ইমিগ্রেশনে লেবার ক্লাস যাত্রীদের প্রতি অফিসারদের বিরূপ আচরণে স্বদেশে ফেরার আনন্দ ফিকে হতে শুরু করে।

  • মরলেই আসলে বেঁচে যান মানববাবু। পচন ধরেছে গায়। রস পড়ে চুঁইয়ে, লেগে থাকে আঠার মতো। পাশ ফিরতে গেলেও চড়চড় শব্দ হয়। কাপড় থেকে চামড়া আলাদা করা তখন দস্তুরমতো জুলুম। দেখাশোনার বিশেষ কেউ নেই, জুলুমটা তাই নিজেকেই করতে হয়। করতে করতে তিনি ক্লান্ত। বীতশ্রদ্ধ। ভাবেন --- চারপাশে কত মানুষ মরছে, মওত কি ভুল করেও একবার আসতে পারে না তাঁর শিয়রে?

  • Elderly residents of Dhaka can remember that a long time ago the city became devoid of crows, and that was when this event or series of events took shape, over a period of five years or so, and it all began in a village called Boikunthopur. The town of Sirajganj lay on the west bank of the river Jamuna, and six miles west of Sirajganj was a small village, and the name of the village was Boikunthopur.