মানব চৈতন্যের কোন প্রদোষকালে প্রথম ধ্বনি উচ্চারিত হয়েছিল বা ছন্দোময় কোনও পঙ্ক্তির আভাস বেজে উঠেছিল কোনও একজন দশাপ্রাপ্ত মানুষের কণ্ঠে এবং কীভাবে তা গোত্রভুক্ত অন্য মানুষের সাথে যোগাযোগ সক্ষম হয়ে উঠেছিল আমরা জানি না; বিবর্তনের আদি পর্যায়ে ছন্দোবদ্ধ শ্লোক, মন্ত্র বা কাব্য কোনও না কোনওভাবে মানুষের যৌথ জীবনযাপনের সাথে সম্পৃক্ত ছিল বা তাকে চালিত ও প্রভাবিত করত, কারণ ব্যক্তিপ্রতিস্বের আবির্ভাব তখনও ঘটেনি।
মানব চৈতন্যের কোন প্রদোষকালে প্রথম ধ্বনি উচ্চারিত হয়েছিল বা ছন্দোময় কোনও পঙ্‌ক্তির আভাস বেজে উঠেছিল কোনও একজন দশাপ্রাপ্ত মানুষের কণ্ঠে এবং কীভাবে তা গোত্রভুক্ত অন্য মানুষের সাথে যোগাযোগ সক্ষম হয়ে উঠেছিল আমরা জানি না; বিবর্তনের আদি পর্যায়ে ছন্দোবদ্ধ শ্লোক, মন্ত্র বা কাব্য কোনও না কোনওভাবে মানুষের যৌথ জীবনযাপনের সাথে সম্পৃক্ত ছিল বা তাকে চালিত ও প্রভাবিত করত, কারণ ব্যক্তিপ্রতিস্বের আবির্ভাব তখনও ঘটেনি। খাদ্যের প্রয়োজনে কোনও বন্য পশুর পেছনে ধাবমান একদল অরণ্যচারী মানুষের মুখনিঃসৃত ধ্বনিসমষ্টি যে দ্যোতনা সৃষ্টি করত, তার সাথে ওই মানুষদের গতি-একাগ্রতা এবং শিকার নৈপুণ্যের সম্পর্ক ছিল অনুমান....
সাবস্ক্রাইব করুন বা কিনুন
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে এবং স্বাধীন বাংলা সাহিত্যকে সমর্থন করতে, এই লেখাটি কিনুন বা সম্পূর্ণ জার্নাল আর্কাইভ উন্মুক্ত করুন।