অষ্টাদশ শতকে ব্রিটিশ কোম্পানি বাংলা তথা ভারতে সাম্রাজ্য বিস্তারের পর থেকে বণিকের 'মানদণ্ড' ধীরে ধীরে পরিণত হয়েছিল 'রাজদণ্ড'তে। শাসনতন্ত্রে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকেই কোম্পানি ভারতে সাম্রাজ্যবাদী ভাবাদর্শের পরিকল্পনা রচনা করে। এই প্রক্রিয়ার অনেকগুলি উপাদান ছিল। যার মধ্যে অন্যতম হল কীভাবে ব্রিটিশরা এত বড়ো দেশে নিজেদের শাসনের যৌক্তিকতা বিচার করবে? সেক্ষেত্রে অষ্টাদশ শতকের শেষদিক থেকেই ব্রিটিশরা নিজেদের শাসনযন্ত্রে কিছু 'মৌলিক সরকারি নীতি'১ আনয়ন করে যথা, সম্পত্তি সুরক্ষা করা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, উন্নয়নকে গতিপ্রাপ্ত করা সর্বোপরি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা। ব্রিটিশ প্রশাসকরা সর্বদাই দাবি করতেন, ব্রিটিশ বিচারের মূলস্তম্ভ নিহিত আছে তাদের দ্বারা পরিচালিত সরকারে, যা ভারতীয়দের স্বাধীনতাকে নিশ্চিত করবে সেইসঙ্গে ভারতীয়দের সুসভ্য করে তুলবে।
অষ্টাদশ শতকে ব্রিটিশ কোম্পানি বাংলা তথা ভারতে সাম্রাজ্য বিস্তারের পর থেকে বণিকের 'মানদণ্ড' ধীরে ধীরে পরিণত হয়েছিল 'রাজদণ্ড'তে। শাসনতন্ত্রে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকেই কোম্পানি ভারতে সাম্রাজ্যবাদী ভাবাদর্শের পরিকল্পনা রচনা করে। এই প্রক্রিয়ার অনেকগুলি উপাদান ছিল। যার মধ্যে অন্যতম হল কীভাবে ব্রিটিশরা এত বড়ো দেশে নিজেদের শাসনের যৌক্তিকতা বিচার করবে? সেক্ষেত্রে অষ্টাদশ শতকের শেষদিক থেকেই ব্রিটিশরা নিজেদের শাসনযন্ত্রে কিছু 'মৌলিক সরকারি নীতি'১ আনয়ন করে যথা, সম্পত্তি সুরক্ষা করা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, উন্নয়নকে গতিপ্রাপ্ত করা সর্বোপরি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা। ব্রিটিশ প্রশা...
সাবস্ক্রাইব করুন বা কিনুন
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে এবং স্বাধীন বাংলা সাহিত্যকে সমর্থন করতে, এই লেখাটি কিনুন বা সম্পূর্ণ জার্নাল আর্কাইভ উন্মুক্ত করুন।