And of me I must say That following serenely, Without fear of the lightning and thunder I am working out the future. —Jose Marti ভূমিকা ১৯৬০ দশকে ক্যুবা ও ভারতের চলচ্চিত্রে বেশ কতকগুলি র্যাডিক্যাল পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। সত্যি কথা বলতে কি, কেবল ক্যুবা বা ভারত নয়, দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকা ও এশিয়া মহাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের চলচ্চিত্রে এই দশকে গুরুত্বপূর্ণ সব পরিবর্তন দেখা যায় যা কিনা বিশ্বব্যাপী ‘সিনেমা অব লিবারেশন’-এর জন্ম দেয়। এইসব ছবির উদ্দেশ্য ছিল বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রের তীব্র বিরোধিতা করা এবং আর্ট ফিল্ম নামক ইউরোপীয় ধারণার ‘সমালোচনা’ করা। এই প্রতিরোধমূলক চলচ্চিত্রগুলি চাইছিল এমন এক ধারা তৈরি করতে যা উত্তরৌপনিবেশিক শ্রেণিবিভক্ত সমাজে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা, ব্যর্থতা-সাফল্য, প্রতিরোধ-প্রতিবাদের কথা বলবে। সে চলচ্চিত্র কথা বলবে তার নিজস্ব ভাষায়। সে ভাষা হলিউডের কন্টিনিউইটি এডিটিং-নির্ভর পেলব ভাষা নয়, আবার ইউরোপীয় আভা-গার্দ শিল্পের উচ্চাকাঙ্ক্ষী ‘আর্ট’-এর এলিট ভাষাও নয়। এ ভাষা হবে তৃতীয় ধারা।
And of me I must say<br /> <br /> <br /> That following serenely,<br /> <br /> <br /> Without fear of the lightning and thunder<br /> <br /> I am working out the future.<br /> <br /> —Jose Marti<br /> <br /> ভূমিকা <br /> <br /> ১৯৬০ দশকে ক্যুবা ও ভারতের চলচ্চিত্রে বেশ কতকগুলি র‍্যাডিক্যাল পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। সত্যি কথা বলতে কি, কেবল ক্যুবা বা ভারত নয়, দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকা ও এশিয়া মহাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের চলচ্চিত্রে এই দশকে গুরুত্বপূর্ণ সব পরিবর্তন দেখা যায় যা কিনা বিশ্বব্যাপী ‘সিনেমা অব লিবারেশন’-এর জন্ম দেয়। এইসব ছবির উদ্দেশ্য ছিল বাণিজ্যিক চ...
সাবস্ক্রাইব করুন বা কিনুন
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে এবং স্বাধীন বাংলা সাহিত্যকে সমর্থন করতে, এই লেখাটি কিনুন বা সম্পূর্ণ জার্নাল আর্কাইভ উন্মুক্ত করুন।