আত্মীয়তা ও ঐক্যের বন্ধন হিসেবে রক্ত-সম্পর্কের পরেই ভাষার স্থান। গভীরভাবে বিবেচনা করলে মনে হবে ভাষার গুরুত্ব রক্ত-সম্পর্কের চাইতেও বেশি। কেননা, বোধগম্য ভাষার মাধ্যমেই হয় জানাজানি ও মন দেয়া-নেয়া৷ অপরিচয় যেমন অনাত্মীয়তার নামান্তর, তেমনি পরিচয় মানে চাক্ষুষ করা নয় বরং পরস্পরের মন-মেজাজ ও মত-পথ জানা। এটি কেবল কথার মাধ্যমেই সম্ভব।
[বাঙালির ভাষিক-সাংস্কৃতিক সত্তা বিষয়ে আমরা যে মুখ্য আলোচনার পরিকল্পনা করেছিলাম সেই লক্ষ্যে প্রতিশ্রুত লেখাগুলো শেষপর্যন্ত জোগাড় না হওয়ায় আহমদ শরীফের এই লেখাটিই আমরা পুনর্মুদ্রণ করছি। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সামাজিক-রাজনৈতিক পরিস্থিতির পেছনে দীর্ঘদিনের ধর্মাশ্রিত রক্ষণশীল প্রতিক্রিয়াশীল বৃদ্ধিবৃত্তিক অপতৎপরতা ইন্ধন জুগিয়েছে। শুধু তাই নয় বাংলাদেশের শিল্প-সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের সঙ্গে যুক্ত শহুরে মধ্যবিত্ত নাগরিক সমাজের অধিকাংশ যারা ধর্মবিশ্বাসের দিক থেকে মুসলিম, তাদের মধ্যেও জাতিসত্তা বিনির্মাণে ভাষিক-সাস্কৃতিক উপাদান সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট নয়। এই অস্বচ্ছ ধারণা দূর করার ক্ষেত্রে আহমদ শরী...
সাবস্ক্রাইব করুন বা কিনুন
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে এবং স্বাধীন বাংলা সাহিত্যকে সমর্থন করতে, এই লেখাটি কিনুন বা সম্পূর্ণ জার্নাল আর্কাইভ উন্মুক্ত করুন।