মানবেন্দ্রনাথ রায় (১৮৮৭-১৯৫৪) নামে খ্যাতি অর্জনের আগে তিনি ছিলেন নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। স্বদেশি আন্দোলন (১৯০৬-০৭) থেকে ইন্দো-জার্মান ষড়যন্ত্রের (১৯১৫) মধ্যবর্তী বছরগুলোয় কলকাতা এবং আশেপাশের অঞ্চলে জাতীয়তাবাদী বিপ্লবী গুপ্ত সমিতির দক্ষ কর্মী ও সংগঠক হিসেবে পুলিশের খাতায় তাঁর রাজনৈতিক আত্মপ্রকাশ। মার্কিন মুলুক থেকে মেহিকো যাত্রা, লেনিনের সঙ্গে কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিকের মঞ্চে ঔপনিবেশিক দুনিয়ায় শ্রমিকশ্রেণির নেতৃত্বে সাম্যবাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিতর্ক তাঁকে মানবেন্দ্রনাথ রায় করে তোলে। ছদ্মনাম হয়ে দাঁড়ায় প্রকৃত নাম। হারিয়ে যায় পুরোনো বিপ্লবী ধারার রেশ। নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের রাজনৈতিক জীবন, সামাজিক অস্তিত্ব ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। জাতীয়তাবাদী চরমপন্থা নিম্ন মধ্যবিত্ত হিন্দু ভদ্রলোক যুবক সমাজকে আকৃষ্ট করেছিল। সে পরিবেশে শ্রমজীবী মানুষ বড়োজোর ছিলেন করুণার পাত্র। বিপ্লবের নেতৃত্ব তাঁদের হাতে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা গোড়ার দিকের জাতীয়তাবাদী বিপ্লবীরা কল্পনা করতে পারেননি। নরেন্দ্রনাথ এই রাস্তায় চলছিলেন। কিন্তু ১৯১৭ সালের বলশেভিক বিপ্লবের ঝাপটায় দিক বদলে যায়।
মানবেন্দ্রনাথ রায় (১৮৮৭-১৯৫৪) নামে খ্যাতি অর্জনের আগে তিনি ছিলেন নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। স্বদেশি আন্দোলন (১৯০৬-০৭) থেকে ইন্দো-জার্মান ষড়যন্ত্রের (১৯১৫) মধ্যবর্তী বছরগুলোয় কলকাতা এবং আশেপাশের অঞ্চলে জাতীয়তাবাদী বিপ্লবী গুপ্ত সমিতির দক্ষ কর্মী ও সংগঠক হিসেবে পুলিশের খাতায় তাঁর রাজনৈতিক আত্মপ্রকাশ। মার্কিন মুলুক থেকে মেহিকো যাত্রা, লেনিনের সঙ্গে কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিকের মঞ্চে ঔপনিবেশিক দুনিয়ায় শ্রমিকশ্রেণির নেতৃত্বে সাম্যবাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিতর্ক তাঁকে মানবেন্দ্রনাথ রায় করে তোলে। ছদ্মনাম হয়ে দাঁড়ায় প্রকৃত নাম। হারিয়ে যায় পুরোনো বিপ্লবী ধারার রেশ। নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের রাজনৈতিক জীব...
সাবস্ক্রাইব করুন বা কিনুন
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে এবং স্বাধীন বাংলা সাহিত্যকে সমর্থন করতে, এই লেখাটি কিনুন বা সম্পূর্ণ জার্নাল আর্কাইভ উন্মুক্ত করুন।