“আমরা যে প্রতিষ্ঠানটি চাই তার কাজ হবে জনগণকে বিজ্ঞানশিক্ষা দেয়া। সেখানে নিয়মিত বক্তৃতার ব্যবস্থা থাকবে, বক্তারা বিষয়বস্তু বোঝাবার জন্য পরীক্ষা দেখাবেন, এবং শ্রোতাদেরও আহ্বান করা হবে সেইসব পরীক্ষা সম্পাদন করতে। আমাদের ইচ্ছা, প্রতিষ্ঠানটি থাকবে সম্পূর্ণভাবে স্বদেশী পরিচালনায় ও নিয়ন্ত্রণে।” (মহেন্দ্রলাল সরকার, বিজ্ঞানসভার প্রস্তাবনা) ভারতবর্ষের ইতিহাসে ১৮৭৬ সালটি অনেক দিক থেকেই একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছে। মহারানি ভিক্টোরিয়া এই বছর আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতমুকুট মাথায় নেন। যার ফলে, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাত থেকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের হাতে ভারতের ক্ষমতা হস্তান্তরিত হওয়া সুনিশ্চিত হলো। বিশ্বের সামনে প্রকাশ্যে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের কোহিনুর হিসেবে উদ্ভাসিত হলো ঔপনিবেশিক ভারত। ভারতবর্ষের নব্য-ভূস্বামী এবং নবজাত ভারতীয় শিক্ষিত বুদ্ধিজীবীরা কোম্পানির আমল পার হয়ে, মহারানির রাজত্বে ঠাঁই পেয়ে, যারপরনাই উৎফুল্ল হয়ে উঠেছিল।
“আমরা যে প্রতিষ্ঠানটি চাই তার কাজ হবে জনগণকে বিজ্ঞানশিক্ষা দেয়া। সেখানে নিয়মিত বক্তৃতার ব্যবস্থা থাকবে, বক্তারা বিষয়বস্তু বোঝাবার জন্য পরীক্ষা দেখাবেন, এবং শ্রোতাদেরও আহ্বান করা হবে সেইসব পরীক্ষা সম্পাদন করতে। আমাদের ইচ্ছা, প্রতিষ্ঠানটি থাকবে সম্পূর্ণভাবে স্বদেশী পরিচালনায় ও নিয়ন্ত্রণে।” <br /> <br /> (মহেন্দ্রলাল সরকার, বিজ্ঞানসভার প্রস্তাবনা)<br /> <br /> ভারতবর্ষের ইতিহাসে ১৮৭৬ সালটি অনেক দিক থেকেই একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছে। মহারানি ভিক্টোরিয়া এই বছর আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতমুকুট মাথায় নেন। যার ফলে, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাত থেকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের হাতে ভারত...
সাবস্ক্রাইব করুন বা কিনুন
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে এবং স্বাধীন বাংলা সাহিত্যকে সমর্থন করতে, এই লেখাটি কিনুন বা সম্পূর্ণ জার্নাল আর্কাইভ উন্মুক্ত করুন।