‘নিরবধি কাল, বিপুলা পৃথ্বী’, কোনো না কোনো দিন কোথাও না কোথাও আমার কাব্যের কদর হবেই। বলেছিলেন প্রাচীন কবি। রোমান্টিক পার্সি শেলি আবার বলেছিলেন, মহাকালের কৃষ্ণগহ্বরে শত শত সূর্য একেবারে অবলুপ্ত হয়েছে, সেখানে আমার মতো ক্ষুদ্র আলোকবর্তিকা কী করে টিকে থাকার ভরসা করবে? পাঠকের মনে ছাপ রেখে যাবার এই আকুলতা থেকে কোন কবিই বা মুক্ত?
‘নিরবধি কাল, বিপুলা পৃথ্বী’, কোনো না কোনো দিন কোথাও না কোথাও আমার কাব্যের কদর হবেই। বলেছিলেন প্রাচীন কবি। রোমান্টিক পার্সি শেলি আবার বলেছিলেন, মহাকালের কৃষ্ণগহ্বরে শত শত সূর্য একেবারে অবলুপ্ত হয়েছে, সেখানে আমার মতো ক্ষুদ্র আলোকবর্তিকা কী করে টিকে থাকার ভরসা করবে? পাঠকের মনে ছাপ রেখে যাবার এই আকুলতা থেকে কোন কবিই বা মুক্ত? <br /> <br /> আমি আমার দীর্ঘজীবনের অনেকটাই সময় ধরে কবিতা লেখার চেষ্টা করে গেছি; কিন্তু অন্য লেখার কিছু চাহিদা থাকলেও বাংলাভাষী পাঠকসমাজে আমার কবিতার চাহিদা আছে এমনটা কোনো সংক্ষিপ্ত পর্বে বা কিছু বাছাই পাঠক ছাড়া কখনো মনে করার সুযোগ ঘটেনি। শেষবয়সে যখন মনে হলো &lsq...
সাবস্ক্রাইব করুন বা কিনুন
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে এবং স্বাধীন বাংলা সাহিত্যকে সমর্থন করতে, এই লেখাটি কিনুন বা সম্পূর্ণ জার্নাল আর্কাইভ উন্মুক্ত করুন।