ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার আমদানি হয় ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের অন্যতম সহায়ক মাধ্যম হিসেবে। তবুও বাঙালি ঔপনিবেশিক পরিবেশে পাশ্চাত্য ভাষা ও জ্ঞান-বিজ্ঞান অতি সমাদরে গৃহীত হয়। কারণ, তখন ইংরেজি ভাষার দখল মানুষের জীবিকা ও সামাজিক উন্নতির প্রাথমিক শর্তে উপনীত হয়। বস্তুত, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বৃহত্তর গণ্ডিতে অতি দ্রুত অনুপ্রবেশ ঘটে স্থানীয় মানুষের।
ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার আমদানি হয় ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের অন্যতম সহায়ক মাধ্যম হিসেবে। তবুও বাঙালি ঔপনিবেশিক পরিবেশে পাশ্চাত্য ভাষা ও জ্ঞান-বিজ্ঞান অতি সমাদরে গৃহীত হয়। কারণ, তখন ইংরেজি ভাষার দখল মানুষের জীবিকা ও সামাজিক উন্নতির প্রাথমিক শর্তে উপনীত হয়। বস্তুত, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বৃহত্তর গণ্ডিতে অতি দ্রুত অনুপ্রবেশ ঘটে স্থানীয় মানুষের। কারণ, সাম্রাজ্য পরিচালনার অধস্তন কর্মচারীরা নিযুক্ত হন ভারতীয়দের মধ্যে থেকে। এর নিগূঢ় উদ্দেশ্য ছিল কোম্পানি ও পরে ব্রিটিশ রাজের ব্যয় সংকোচন। তবে সেই মুহূর্তে অষ্টাদশ শতাব্দীর ভারতীয় আর্থ-সামাজিক পটভূমিতে জীবিকার তাগিদে বহু মানুষই ইংরেজি শিক্ষার ও ব্রিটিশ....
সাবস্ক্রাইব করুন বা কিনুন
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে এবং স্বাধীন বাংলা সাহিত্যকে সমর্থন করতে, এই লেখাটি কিনুন বা সম্পূর্ণ জার্নাল আর্কাইভ উন্মুক্ত করুন।