“তোমার ঠাকুরের ভোগ তুমি রোজই দিতেছো, আমি কথা কই না। আমার ঠাকুরের ভোগ আমি একদিন দিব, ইহাতে বাধা দিয়ো না।”১ [জ্যাঠামশায়/‘চতুরঙ্গ]
“তোমার ঠাকুরের ভোগ তুমি রোজই দিতেছো, আমি কথা কই না। আমার ঠাকুরের ভোগ আমি একদিন দিব, ইহাতে বাধা দিয়ো না।”১ [জ্যাঠামশায়/‘চতুরঙ্গ] <br /> <br /> ‘চতুরঙ্গে’র নাস্তিক জ্যাঠামশায়ের এই দৃঢ় যুক্তি, হরিমোহন এবং পুরন্দরের মনে কোনো আবেদন সৃষ্টি করতে পারেনি। কারণ, নিজস্ব ভাবনার এক্তিয়ারে অন্যের অনুপ্রবেশের ছাড়পত্র পেতে কোনো আইন প্রণয়নের প্রয়োজন হয় না। তাই হরিমোহন এবং পুরন্দর পরবর্তী এক ‘বদলা’র ইঙ্গিত দিয়ে, বিদায় নিয়েছিল। বাস্তব জীবনেও এই অনধিকার চর্চার ধারাবাহিকতা বজায় ছিল-আছে-থাকবে। এই অনধিকার অনুপ্রবেশের সূত্রপাত কবে হলো? কীভাবে হলো?— তার সমাজতাত্ত্বিক ব...
সাবস্ক্রাইব করুন বা কিনুন
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে এবং স্বাধীন বাংলা সাহিত্যকে সমর্থন করতে, এই লেখাটি কিনুন বা সম্পূর্ণ জার্নাল আর্কাইভ উন্মুক্ত করুন।