ESC

আর্কাইভে অনুসন্ধানের জন্য অন্তত ২টি অক্ষর লিখুন।

লগ ইন নিবন্ধন করুন
← আর্কাইভে ফিরুন

December 2025 22nd Year 30th Issue

Issue 260221010433 · Published February 2026

· ·

সংখ্যার বিবরণ

সংখ্যা
260221010433
প্রকাশনার বছর
2025
ISSN
1488-0792
ডিজিটাল প্রবেশাধিকার
৳200 / $2.00
মুদ্রিত সংস্করণ
৳300 / $3.00
প্রিন্ট + ডিজিটাল
৳500 / $5.00 + ডেলিভারি
December 2025 22nd Year 30th Issue Cover

ছবির কথা / About Cover Art

পোশাক কি স্বাধীনতার প্রকাশ নাকি ব্যক্তিত্বের নির্ধারক করে?
যখন একজন নারী নিজের কথা বলে, তখন কি তার বক্তব্যের আগে তাকে তার পোশাক দিয়ে বিচার করতে হবে? "শালীন পোশাক" বা "অশালীন পোশাক" শব্দগুলো কতটুকু ন্যায্য? এ কেমন সামাজিকতা?

বাংলাদেশের সমাজে নারীর পোশাক নিয়ে আলোচনা শুরু হতেই দুটি দিকে সবচেয়ে বেশি ফোকাস করা যায়। একটি সমাজ থেকে দেওয়া অনুশাসন, অপরটি নারীর চিন্তার জায়গা। "শব্দ" বা সম্বোধনগুলো কত সহজে একজন নারীর ব্যক্তিত্বকে আঘাত করে! পোশাক আর তার অভিব্যক্তির গণ্ডি পুরুষতান্ত্রিক চিন্তার একটা চিত্র রয়েছে। আবার পোশাক নিয়ে তাকে বিভ্রান্ত করে রাখার প্রবণতাও রয়েছে। কিছু নারী গোঁড়া মানসিকতার পোশাক ধর্মীয় অনুশাসনের সঙ্গে যুক্ত করেছে। এর ফলে নারী কী পরবে, কী পরবে না, তা ঠিক করে দেওয়ার এক অদ্ভুত নৈরাজ্য তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে এই সমাজে একজন নারীর অশালীনতা হচ্ছে দেখা যায় তার পোশাকের গভীরতার উপর নির্ভর করে।

আমার বেশিরভাগ পেইন্টিং-এ আমি এই সমাজ পোশাকের উপর ভিত্তি করে নারীর যে দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে তা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আর ছবিটি আমি এ বছরই ক্যানভাসে অ্যাক্রেলিক রং দিয়ে করেছি।

শেষ পাতা / Back Cover

December 2025 22nd Year 30th Issue Back Cover

Explore the design and details featured on the back cover of ‘December 2025 22nd Year 30th Issue’.

সম্পাদকীয় / Editorial

সম্পাদকীয়

মাস চারেক আগে বর্তমান সংখ্যাটির প্রস্তুতিপর্বে আমাদের এমন এক অপূরণীয় ক্ষতির সম্মু্খীন হতে হয়েছে যেজন্য সম্পাদকীয় পরিষদ মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিল না। বাংলা জর্নালের জন্মলগ্ন থেকে সম্পাদকীয় পরিষদের অন্যতম সদস্য দিনু বিল্লাহ ছিলেন আমাদের সহযোদ্ধা, সার্বক্ষণিক কর্মী এবং প্রেরণা ও ভরসার ঠাঁই। আগস্ট মাসের তৃতীয় সপ্তাহে আচম্বিতে উড়ে আসা একখণ্ড কালো মেঘের মতো এক দুঃসংবাদ আমাদের সম্পাদনা পর্ষদের সভ্যদের বাক্‌রহিত করে দেয়। সপ্তাহান্তের এক শুভ্রসুন্দর রৌদ্রস্নাত শনিবারের সকালে আচমকা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে সুস্থসবল দিনু বিল্লাহ তাঁর বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার অল্প সময়ের মধ্যে যে তিনি জ্ঞান হারালেন তা থেকে তাঁকে আর ফেরানো গেল না। জর্নালের চলার পথে তাঁর নিরন্তর নৈকট্য ও সাহচর্য থেকে হঠাৎ করে বঞ্চিত হয়ে পড়ায় আমার মধ্যে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে তা অমোচনীয়। ১৯৯৯ সালে টরন্টো থেকে দ্বিভাষিক এই পত্রিকাটি বের করার পেছনে রাষ্ট্রিক ও নাগরিকতার সীমানা অতিক্রমকারী বাংলাভাষীদের অসাম্প্রদায়িক ধর্মবিযুক্ত ভাষিক-সাংস্কৃতিক সত্তাকে তুলে ধরার আকাঙ্ক্ষাই কাজ করেছে। দিনু বিল্লাহ ছিলেন সেই আকাঙ্ক্ষারই মূর্ত প্রতীক। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন অকুতোভয় বীর দিনু বিল্লাহ পাকিস্তানী সৈন্যদের হাতে যে নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছিলেন তার দহন ও ক্ষত আজীবন তাঁর শরীর বহন করেছে। বিগত প্রায় দেড় বছর...
সম্পূর্ণ সম্পাদকীয় পড়ুন →

প্রবন্ধ

  • দিনু ছিল অত্যন্ত স্নেহপ্রবণ, হাসিখুশি, আড্ডাপ্রিয়, দেশপ্রেমিক, প্রাণশক্তিতে ভরা এক ব্যক্তিত্ব। জীবনের বিচিত্র অভিজ্ঞতার বর্ণনা আর চুটকি বলে আড্ডাকে মাতিয়ে রাখত। অবশ্য তুমুল তর্কও হতো। আবার একেক সময়ে আড্ডার মাঝখানে হারমোনিয়ামটা টেনে নিয়ে দরদি গলায় গান গাইতে শুরু করত। গানের প্রেক্ষাপট বলত, যার ফলে শুনতে আরও ভালো লাগত।

  • বাংলাদেশ ভূখণ্ডে, বাঙালি জাতির আত্মপরিচয় নির্মাণ ও স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক যুদ্ধে যেসব অকুতোভয় যোদ্ধা আমৃত্যু অবিচল থেকেছেন—সম্প্রতি প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা, লেখক ও সঙ্গীতশিল্পী দিনু বিল্লাহ তাঁদের মধ্যে অনন্য।

  • আত্মীয়তা ও ঐক্যের বন্ধন হিসেবে রক্ত-সম্পর্কের পরেই ভাষার স্থান। গভীরভাবে বিবেচনা করলে মনে হবে ভাষার গুরুত্ব রক্ত-সম্পর্কের চাইতেও বেশি। কেননা, বোধগম্য ভাষার মাধ্যমেই হয় জানাজানি ও মন দেয়া-নেয়া৷ অপরিচয় যেমন অনাত্মীয়তার নামান্তর, তেমনি পরিচয় মানে চাক্ষুষ করা নয় বরং পরস্পরের মন-মেজাজ ও মত-পথ জানা। এটি কেবল কথার মাধ্যমেই সম্ভব।

  • প্রথমেই একটা কথা বলা দরকার। এই প্রবন্ধটির মূল বিষয় হলো, উত্তরভারতীয় উচ্চাঙ্গসঙ্গীতে সাম্প্রদায়িকতার স্থান। মধ্যযুগে মুসলিমদের আগমনের পর হিন্দু ও মুসলিম সঙ্গীতের মিশ্রণের ফলে যে নতুন এক সঙ্গীত-ধারার সূচনা হয়, সেখানে সাম্প্রদায়িকতা কতটা জায়গা করে নিতে পেরেছিল মূলত সেটাই এখানে বলার বিষয়। কিন্তু সে আলোচনায় যাওয়ার আগে সঙ্গীতের উৎপত্তি ও তার ক্রমবিকাশ নিয়ে কিছুটা সংক্ষিপ্ত আলোচনা করে নিতে চাই।

  • “তোমার ঠাকুরের ভোগ তুমি রোজই দিতেছো, আমি কথা কই না। আমার ঠাকুরের ভোগ আমি একদিন দিব, ইহাতে বাধা দিয়ো না।”১ [জ্যাঠামশায়/‘চতুরঙ্গ]

  • ঊনবিংশ শতকে বাংলাদেশে যে নবজাগরণের জোয়ার এসেছিল, তার ফলে সমাজ ও রাজনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছিল, তারই তরঙ্গ শিক্ষাক্ষেত্রেও এনেছিল আমূল পরিবর্তন। পাশ্চাত্য শিক্ষা চালু হওয়ার আগেও এদেশে একটা প্রথাবদ্ধ শিক্ষাধারা প্রচলিত ছিল।

  • সৃষ্টির প্রথম মন্ত্র — ‘আমরা চাই!’ এই মন্ত্র কি দেশের চিত্তকুহর হইতে একেবারেই শুনা যাইতেছে না? দেশের যাঁরা আচার্য, যাঁরা সন্ধান করিতেছেন, সাধনা করিতেছেন, ধ্যান করিতেছেন, তাঁরা কি এই মন্ত্রে শিষ্যদের কাছে আসিয়া মিলিবেন না? বাষ্প যেমন মেঘে মেলে, মেঘ যেমন ধারাবর্ষণে ধরণীকে অভিষিক্ত করে তেমনি করিয়া কবে তাঁরা একত্র মিলিবেন, কবে তাঁদের সাধনা মাতৃভাষায় গলিয়া পড়িয়া মাতৃভূমিকে তৃষ্ণার জলে ও ক্ষুধার অন্নে পূর্ণ করিয়া তুলিবে? (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শিক্ষার বাহন)

  • আমরা কেউ একে অপরের সঙ্গে কবিতার ভাষায় কথা বলি না। সেটি সম্ভব নয়। সেটি অভিপ্রেতও নয়। সেটা অস্বাভাবিক। বাক্‌-বিনিময় ও আদান-প্রদানের জন্য দৈনন্দিন ভাষার অবস্থান—কাব্যিক ভাষার থেকে অনেকটাই দূরে। কারণ কবিতার ভাষা, বিষয়বস্তু ও মর্ম—ওজনসাপেক্ষ। সব ক্ষেত্রে কবিতার ভাষা সহজ-সরল নয়—একবার পড়ে বা শুনে তার অন্তর্নিহিত সত্যের গভীরে পৌঁছানো সম্ভব নাও হতে পারে।

  • ‘জগৎ ভরমিয়া দেখি একই মায়ের পুত!’ কিন্তু ঐক্য যেমন আছে, তেমনি বৈচিত্র্যও জীবনের ধর্ম বটে। ইতিহাসে এবং ভূগোলে মানুষের ভাষা, সাহিত্য এবং সংস্কৃতি ভিন্ন এবং বিচিত্র। বাল্মীকি কিংবা শেক্সপিয়ারের পক্ষে কি ময়মনসিংহ গীতিকা কিংবা জীবনানন্দের কবিতা লেখা সম্ভব ছিল?

  • সাক্ষী-৭০ পরিদর্শক মোর্শেদ পাহাড়তলি হতে ফেরত আসার সময় অস্ত্রাগারের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি ইউনিফর্ম পরা এক ব্যক্তিকে মাটিতে পড়ে থাকা আরেক ব্যক্তির ওপর দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পান এবং ভেবেছেন ওই ব্যক্তি অ্যাডজুটেন্ট ক্যাপ্টেন ট্রেইট হতে পারেন।

কবিতা

গল্প

  • নিউইয়র্কের জেএফকে বিমান বন্দরে প্রথম যেদিন তার পায়ের পাতা ছুঁয়েছিল, মুরুগানের বিশ্বাস হয়নি যে সে সত্যিই এখানে এসে পৌঁছাতে পেরেছে। এক দিনে কি তার এই আসা হলো? প্রথমে মুল্লিভাইক্কল গ্রামের সামনের সমুদ্র তীর থেকে কার্গোয় করে মালয়েশিয়া।

  • ‘তুমি সোহেলকে চিনতা না, আমাদের আগের বিল্ডিংয়ে থাকত যে?’ শর্মি বলল। ‘কোনটা?’ ‘ওই যে-লোকটা ছাদে বাগান করত। আমার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করত।’

  • ঝড়ের তাণ্ডব প্রায় শেষ। এখনো দেবদারু গাছের পাতাটা তিরতির করে কাঁপছে। অবুঝ কাঁপন। ঝড় থেমে যেতে যেতে শেষ হাওয়ার দমক ছেড়ে দিয়ে গেল। –বলুন তো, এই মেয়ে নিয়ে আমি কী করি?

  • পাহাড়ের পর পাহাড় ডিঙিয়ে কিছুদূর গিয়ে একটা ছায়া। ছায়ার টান দিয়ে নামার সময় ছিলেন ওঝারা গায়ে লাগল। কিছুদূর গিয়ে ছড়ার পাশে বড়ো একটা তালগাছ। গাছটির পাহাড়ের মুখ উতলানো আর মুখ সমান। ঝুলন্ত পাহাড়গুলোর মাঝে খোঁপা খোঁপা ছোটো বড়ো ছড়া বয়ে বয়ে যায়। ডান দিকে বালিচরা।

  • Language, discourse and society instead of being in a compartmentalization with each other, often are found to be co-constitutive. But, what kind of discursive sociolinguistics we can speak of, if we intend to trace the trajectories of the everyday-language as practiced by those identities who are considered as the ‘constitutive outside’ of the normative systems of caste, class, gender, religion and sexuality.

  • In this article, I discuss how resistance is channelized through performance. We should keep in mind that in conceptualizing and talking about performances that display a direct will to resist the status-quo in society, there is always an inherent contradiction embodied in that performance. Through the performance, both the performers and the audience mutually interact and project onto that specific performative space, the vision of an alternative and resistive reality.

  • This article concerns two women of Bengal, who were adept in the realisation of truth and its exposition in simple words. One of them achieved fame as the “Universal Mother” - she is Sarada Devi. The other remained unknown and without fame.

  • A few days before it was officially announced, that famine had struck the countryside, a woman of unbelievable beauty, came and stood on the balcony of a reasonably decrepit house of Mughal Road and drove the neighborhood insane with desire.

  • The month of Ashwin was coming to a close. The green paddy stalks on the fields billowed in the northerly breeze. But there was a tangle of worries in the head of the Imam saheb of Kusumdanga as he gazed at the ears of paddy forming on the bellies of the stalks.

  • Every morning, before the sun rose, when the world was still wrapped in the embrace of sleep and the solitary Venus star twinkled in the eastern sky, his melodious voice would float in with the gentle morning breeze and wake me up. Every day, his sweet, soaring call would seep through my window and ring in my ears. Lying in bed, I would listen: Allahu Akbar, Allahu Akbar Ashhaduan la ilahailla Allah...