দ্বিধাগ্রস্ত
কত দূর শোনার তোমাকে সুর
কত দূর থেকে এসে অবসান হতে আসা কাছে
সাধারণ জীবনের দিকে
কীভাবে বইবে ঘর প্রতিটি সুখে ভরে
লজ্জা আর লজ্জিত জীবন
কীভাবে বইবে!
অপরাধ সহ করতে করতে
যেমন নদীর জল নীল হয়ে যায়
মুখে থাকা অবিরাম অশ্রু আর পথ ও তার ঘাট
আদরটুকু বয়ে ওঠা অহংকার সুর,
তার স্বর, ঘ্রাণ হয়ে গেছে যার সব
জীব ও জীবিকার জন্য ক্ষণ কিছু মেনে নিতে হয়!
আমরা চেয়েছি, তারা সব কিছু কেড়ে শেষ
নাম পরিচয়, সমান সাড়া
জনম হতে অন্তর, দেহের পোশাক
অতীত ভোলার ঋণী
সব ব্যক্তিত্ব...
বন্ধু তুমি! ক্ষুধ, ক্ষিপ্র, ইতিহাস—
প্রতিটি কথা বুকে— ক্ষমা করে
অইতিহাস মর্ম বুকে— ক্ষমা করে...
ক্ষমা করি... তবু
তোমার নতিন চোখ দেখে ক্ষমা করি
দৃষ্টি বন্ধ করে থাকি ঘটিত ঘটনা থেকে
সাধারণ করে প্রাপ্ত যেসব পদার্থ— জ্ঞান, প্রেম, দেশ
নিয়ে নিতে হয়!
তোমার সঙ্গে বেঁচে বিবেক তবু
কতবার ক্ষমা করি?
কতবার নিজেকে নিজের কাছে চুপ করে মেনে নিতে শিখি?
যুদ্ধের মতো? পারব?
এমন কষ্টের কাছে হারমানা হয় তবু ও বিভব
এমন মনের কাছে জেনে ওঠে হিংসা ও বিভাজন
তবু কেন, অপমান নিয়ে আমি রোজ বেঁচে থাকি
রোজ রোজ ভাঙা মানুষের মতো ঘরে ফিরি রোজ
রাই বলে আমাদের, প্রশ্ন দাও...
তাইতো ভাবছি তুমি নাগরিক রূপে
মনে নেই, জানি...
স্বপ্নের সবুজ সঙ্গে তোমার নীল হতে চাও
মারে, কাটে, ছুঁড়ে ফেলে ভাঙা সংসার
পূর্বের আলোয় রং মুছে যায়
উত্তরণহীন বাঁচা, ভাঙা দেওয়া মতো কিছুই থাকে না তবু তোমার কাছে
বলো বন্ধু! বলো! আর কতক্ষণ
তোমার মৃত্যু নিয়ে নিজেকে নিজের অস্থির!
তোমার মতো কাছে দাঁড়াবার স্বপ্ন নিয়ে বসি
ভাবি, বাবার পায়ের শব্দ তবু এই
জীবনের বেঁচে থাকা
মুছে যেন নিজেকে নিজে...
তুমি আছ, অস্তাচল সন্ধ্য